দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার কমছে। কোভিড গ্রাফ ফের নিম্নমুখী। ভাল খবর শুনিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে বলা হয়েছে, একদিনে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ হাজারের কাছাকাছি। গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমণের হার প্রায় সাত শতাংশ কমে গেছে। করোনা পরীক্ষা ও টিকাকরণের জেরেই কোভিডে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমছে বলে দাবি করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)।
কোভিডে মৃত্যু কমেছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৯৯ জনের। মৃত্যুহারও দুই শতাংশের নীচেই আছে। আক্রান্তের চেয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের সংখ্যা বেশি। দেশে এখন করোনায় সুস্থতার হার ৯৭ শতাংশ।
কোভিড ভ্যাকসিন মৃত্যুর ঝুঁকি কমাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইসিএমআরের বিজ্ঞানী নিবেদিতা গুপ্ত। তাঁর বক্তব্য, দেশে টিকাকরণ যত দ্রুত গতিতে হবে কোভিডে মৃত্যুহার ততটাই কমবে। গবেষণা বলছে, টিকার ডোজের কারণেই দেশে সংক্রমণে মৃত্যু শঙ্কা প্রায় ০.৪ শতাংশ কমে গেছে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও সংক্রমণ হলে তা তিন থেকে চার শতাশের বেশি নয়।
আইসিএমআরের সমীক্ষা বলছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে দশ জনের মধ্যে মাত্র একজনের সংক্রমণের খবর আসছে। তাও সংক্রমণ মৃদু বা মাঝারি। শরীরে ভাইরাল লোড সেই পর্যায়ে বাড়ছে না। ফলে দ্রুত চিকিৎসায় সেরে যাচ্ছেন রোগীরা। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিপুল জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র তিন থেকে পাঁচ শতাংশ কোভিড রোগীকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে হয়েছে, দুই শতাংশেরও কমকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখতে হয়েছে। আইসিএমআরের রিপোর্ট বলছে, দেশের ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে ৬৭৭ জন কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তাঁদের মধ্যে মাত্র ৬৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল।