শেষ আপডেট: 15 January 2020 16:45
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, সেখানে গিয়ে জনসাধারণের মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার সুফল প্রচার করবেন তাঁরা। সেইসঙ্গে বর্তমান মোদী সরকার উপত্যকার মানুষের উন্নয়নের জন্য কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে কথাও জানানো হবে।
উপত্যকার উপর থেকে স্পেশ্যাল স্ট্যাটাস তুলে নেওয়ার পর থেকেই সেখানকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত। এখনও পর্যন্ত গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাহ, ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতি। তাঁদের সমর্থকরা ক্রমাগত মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।
এখনও পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরের সব জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর জম্মুর পাঁচটি জেলায় টুজি পরিষেবা ও জম্মু-কাশ্মীরের জরুরি পরিষেবার আওতায় থাকা পর্যটন, হাসপাতাল, ব্যাঙ্ক, হোটেল প্রভৃতি জায়গায় ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসমূলক কাজ আটকানোর জন্যই এই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কয়েক দিন আগেই আন্তর্জাতিক ডেলিগেটদের ১৫ জনের একটি দলকে জম্মু-কাশ্মীরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দু’দিন সেখানে ছিলেন তাঁরা। এই ঘটনার পরেও বিরোধীরা তোপ দেগেছিল। কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিদেশি অতিথিদের জম্মু-কাশ্মীরে যাওয়ার অধিকার থাকলেও দেশের বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এর মধ্যেই এবার ৩৬ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উপত্যকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার।