দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৬ মার্চ কোভিড ১৯ পজিটিভ রিপোর্ট এসেছিল কর্নাটকের মাইসোরের এক ওষুধ কোম্পানির কর্মীর। তারপর থেকে ২২ দিন ধরে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তিনি। শুক্রবার তাঁর থেকে আরও ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল তা চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে।
মাইসোরের ডেপুটি কমিশনার অবিরাম জি শঙ্কর জানিয়েছেন, “প্রতিটি নমুনাই সেকেন্ডারি নমুনা। ২৭ মার্চ থেকে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তাঁরাও। এতদিন পরে তাঁদের কোভিড ১৯ পজিটিভ কী ভাবে হল তা বিশেষজ্ঞরাই বলতে পারবেন।” তিনি আরও বলেন, “কোয়ারেন্টাইনে রাখার কারণ কোনও আক্রান্তের থেকে যাতে সেই ভাইরাস অন্য কারও শরীরে না ছড়াতে পারে। হতে পারে ওই কর্মীর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ার আগেই তাঁর থেকে এই ১০ জনের শরীরে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু এতদিন পরে সেটা ধরা পড়েছে বলেই চিন্তা হচ্ছে। ওই আক্রান্তের থেকে আরও অনেকের শরীরেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।”
ওষুধের কোম্পানির ওই কর্মীই মাইসোরে প্রথম যাঁর সরাসরি বিদেশ যাওয়ার কোনও যোগ নেই। তারপর থেকে এই ক্লাস্টারে আরও ৫৯ জনের শরীরে কোভিড ১৯ সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ওই কোম্পানির আরও অনেক কর্মী ও তাঁদের আত্মীয়ের শরীরেও এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। শুক্রবার আরও ১২ জনের শরীরে ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। এই মুহূর্তে মাইসোরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩। কর্নাটকে সবথেকে বেশি সংক্রমণ এই জেলাতেই হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা ছিল, ওই ওষুধের কোম্পানির যে কাঁচামাল চিন থেকে আমদানি করা হয়, তার থেকেই এই ভাইরাস ছড়িয়েছে ওই কর্মীর শরীরে। কিন্তু কাঁচামালের কন্টেনারের সোয়াব টেস্টে কিছু ধরা পড়েনি। যদিও ওই কোম্পানির কারখানায় ৪ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি চিন, জাপান, জার্মানি ও আমেরিকা থেকে বেশ কিছু প্রতিনিধি এসেছিলেন। তাঁদের থেকেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই ব্যাপারে কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।