দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি থাকা ১১ জন মুম্বইয়ের একটি হাসপাতাল থেকে পালিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁরা দুবাই থেকে দেশে ফিরেছিলেন। নবি মুম্বইয়ের একটি সরকারি হাসপাতালে তাঁরা ভর্তি ছিলেন। এখনও তাঁদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এসে পৌঁছায়নি।
এই ঘটনার পরে রোগীদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়েও। কারও গাফিলতি না থাকলে একসঙ্গে কী ভাবে ১১ জন পালিয়ে গেলেন হাসপাতাল থেকে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এর আগে মহারাষ্ট্রেরই নাগপুরের একটি হাসপাতালেও একই ঘটনা ঘটেছিল। সেখান থেকে অবশ্য এক জন রোগী পালিয়ে গিয়েছিলেন। আরও একটি শহরের হাসপাতাল থেকেও একজন করোনা সন্দেহভাজন পালিয়েছিলেন। সেই হিসাবে রাজ্যে এটি তৃতীয় ঘটনা।
যে ১১ জনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তাঁরা প্রত্যেকে দুবাইয়ে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেককে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল।
নবিমুম্বই পুরনিগম ও নবিমুম্বইয়ের পুলিশ ইতিমধ্যেই তাঁদের খোঁজ শুরু করেছে। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে কারণ যদি তাঁদের মধ্যে সত্যিই কারও শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হয়ে থাকে তবে সেটি অন্য অনেকের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই রোগের আতঙ্কও আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। রোগ ছড়িয়ে পড়লে সরকারও সমস্যায় পড়ে যাবে। পলাতক এই ১১ জনকে তাই খুঁজে বার করতে তৎপর হয়েছে মহারাষ্ট্র সরকারও।
দেশে এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা একশো ছাড়িয়েছে, এর মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রেই। তার ঠিক পরেই রয়েছে কেরল। দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত সাত জনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে তার মধ্যে সুস্থ হয়ে যাওয়ায় দু’জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।