দ্য ওয়াল ব্যুরো: চোরের শরীরে বাসা বেঁধেছে কোভিড-১৯। তাকে গ্রেফতার করে কোয়ারেন্টাইনে যেতে হল ১১ জন পুলিশ কর্মীকে। এই ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে অসমের রাজধানী গুয়াহাটিতে।
করোনা সংক্রমণের মধ্যেই হাতিগাঁও থানায় নিয়ম করে সিলিন্ডার চুরির অভিযোগ আসছিল। নির্দিষ্ট একটি এলাকার একাধিক বাড়ি থেকে অভিযোগ আসতে থাকে, দিনে দুপুরে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার উধাও হয়ে যাচ্ছে। এর পরেই তদন্তে নামে পুলিশ। গত ৯ জুন এক বছর একুশের যুবককে গ্রেফতার করে হাতিগাঁও থানার পুলিশ। পরের দিন তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এরপরেই ঘটে বিপত্তি।
তাকে রাখা হয়েছিল গুয়াহাটি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে। সেখানে এক বন্দির করোনা উপসর্গ মেলে। নমুনা পরীক্ষার পর রিপোর্ট আসে পজিটিভ। এরপর জেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় ওই সেলের সমস্ত বন্দিরই নমুনা পরীক্ষা হবে। তাতে দেখা যায় সিলিন্ডার চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া যুবকও করোনা আক্রান্ত।
এরপরই পুলিশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তাকে গ্রেফতার করা, আদালতে নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত ১১ জন পুলিশ কর্মীকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। গোটা জেলকে স্যানিটইজ করার পাশাপাশি করোনা আক্রান্ত বন্দিদের সরানো হয়েছে তেজপুর উপ সংশোধনাগারে। স্যানিটাইজ করা হয়েছে হাতিগাঁও থানাও।
উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির মধ্যে অসমের সংক্রমণের মাত্রাই সবচেয়ে বেশি। মোট আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার পেরিয়ে গিয়েছে মৃত্যু হয়েছে আট জনের। রবিবার একদিনে প্রায় দেড়শ জন কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন অসমে। তবে পুলিশের মধ্যে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করেছে রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে।