
শেষ আপডেট: 23 February 2022 02:43
মিউজিয়াম বিল্ডিংটি উপবৃতাকার। সাততলা এই ফাঁপা বিল্ডিংটি রুপোর রঙে সাজানো হয়েছে। তার উপর যখন বাইরে থেকে নানা আলোর কারুকার্য করা হচ্ছে তখন তা দেখতে লাগছে মোহময়ী। গোটা বিল্ডিংয়ের গায়ে রয়েছে আরবি ভাষায় লেখা কিছু কথা।
ইউক্রেন থেকে দেশে ফিরলেন ভারতীয় পড়ুয়ারা! ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছিল যুদ্ধ, অবশেষে স্বস্তি
মঙ্গলবার মিউজিয়ামটি চালু হওয়ার পর তা দেখতে ওই অঞ্চলে ভিড় জমান শহরবাসী। তখন রুপোলি বিল্ডিংয়ের গায়ে বেগুনি রঙের লেজার লাইট ফেলা হয়। নীলচে রুপোলি সেই আভায় ‘মিউজিয়াম অফ দ্য ফিউচার’-এর দিক থেকে চোখ যেন ফেরানোই যাচ্ছিল না।
এই মিউজিয়ামটির উদ্বোধন করেন দুবাইয়ের শাসক শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল-মাকতুম। তাঁরই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা, ভাবনা-চিন্তাকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে এই জাদুঘর।
কী আছে এই ভবিষ্যতের জাদুঘরে?
নির্মাতারা এখনও তা খোলসা করে কিছুই বলেননি। তবে সূত্র মারফত খবর, ডিজাইন এবং প্রযুক্তির নিত্যনতুন আবিষ্কার চোখের সামনে তুলে ধরবে এই মিউজিয়াম। এখানে ২০৭১ সালের আগামীতে ঘুরে আসতে পারবেন দর্শকরা।
এই মিউজিয়ামের বাইরে সাইনবোর্ডে লেখা হয়েছে, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর বিল্ডিং’। বিশ্বের সর্বোচ্চ বিল্ডিং বুর্জ খলিফা থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বেই রয়েছে ভবিষ্যতের এই জাদুঘর। স্থাপত্যকার্যে দুবাই বরাবরই সমৃদ্ধ। সেখানে অসাধারণ স্থাপত্যের বেশ কিছু নিদর্শন রয়েছে। তাতেই এবার নতুন সংযোজন হল ‘মিউজিয়াম অফ দ্য ফিউচার’।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'