দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের মজফফরপুরের হোমে ৩০ জনেরও বেশি মেয়ের দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হয়েছে। জুন মাসের ২ তারিখ এই ঘটনায় গ্রেফতার হন হোমের মালিক ব্রজেশ ঠাকুর। কিন্তু কড়া পুলিশি জেরার মুখোমুখি হওয়ার আগেই বিচারপতির আদেশে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় জেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ব্রজেশকে সঠিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারেননি তারা।
এ দিকে জেলে গিয়েও বহাল তবিয়তেই আছে অভিযুক্ত ব্রজেশ। এমনকী তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দু'টি কাগজ। যেখানে লেখা রয়েছে ৪০ জন প্রভাবশালী লোকের ফোন নম্বর। শনিবার স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশের একটি আধিকারিক দল জেলে গিয়েছিল। আর সেখানে গিয়েই ৪০ জনের নাম এবং ফোন নম্বর সহ এই কাগজ ব্রজেশ ঠাকুরের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে তারা। তবে মেলেনি কোনও ফোন। পুলিশের অনুমান সঙ্গে মোবাইল না থাকার জন্যই মনে করে নম্বরগুলো লিখে রেখেছে ব্রজেশ। যাতে প্রয়োজনে তাদের ফোন করা সম্ভব হয়। পুলিশ জানিয়েছে ওই ৪০ জন প্রভাবশালীর তালিকায় এক মন্ত্রীর নামও রয়েছে। তদন্তে সাহায্যের জন্য সিবিআইকে পাঠানো হয়েছে ওই দু'টি কাগজ।
শনিবার ব্রজেশ ঠাকুরের ছেলেকেও জেরা করেছে পুলিশ। এবং তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। তবে জুনের ২ তারিখ এখনও পর্যন্ত অর্থাৎ এই ৭০ দিনের মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ দিন জেলের ভিতর থেকেছেন ব্রজেশ ঠাকুর। বাকি সময়টাই কাটিয়েছে জেলের হাসপাতালে। মাঝে অবশ্য সপ্তাহ দুয়েকের জন্য বাইরের হাসপাতালেও ছিল ব্রজেশ। পুলিশ আধিকারিকরা অনুমান করছেন, সঙ্গে মোবাইল ফোন না থাকায় সম্ভবত জেলেরই কোনও ল্যান্ডলাইন ফোন থেকে ওই প্রভাবশালীদের ফোন করত মুজফফরপুরের হোমকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্রজেশ ঠাকুর।অথবা এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো অন্য কোনও কয়েদির ফোন।