দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবার শিক্ষক নিগ্রহ। এ বার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
বাংলার অধ্যাপক আব্দুল কাফি শুক্রবার দুপুর সওয়া দুটো নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিলেন। এমন সময় লাল টি-শার্ট পরা একটি ছেলে তাঁর উপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁর চুলের মুঠি ধরে মারতে শুরু করে। হতভম্ব শিক্ষক মার খেয়ে মাটিতে প্রায় পড়ে যান। তাঁর ভালোই আঘাত লেগেছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এই কাণ্ড দেখে আশেপাশের লোকজন এবং ছাত্ররা ছুটে এসে অধ্যাপককে উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে, আব্দুল কাফিকে নিয়ে যাওয়া হয় কেপিসি হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়েছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই ছাত্র ২০১৫ সালে যাদবপুর থেকেই পাশ করে বেরিয়েছে। তার বাড়ি আরামবাগে। তার নাম রাজেশ সাঁতরা। এই হামলা চালানোর আগে সে নাকি বাংলা বিভাগে গিয়েও চেঁচামেচি করেছিল। কিন্তু কী তার ক্ষোভের কারণ, সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়নি। প্রাথমিক অনুমান, মানসিক কোনও অশান্তি থেকেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে সে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীরা প্রথমে তাকে আটক করে রেজিস্ট্রারের ঘরে নিয়ে যান। প্রথমে জানা যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে থানা-পুলিশ না করে সহানুভুতির সঙ্গে দেখছেন। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, উপাচার্য সুরঞ্জন দাস বলেছেন, এই ধরণের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। তাহলে তো প্রতিদিনই এই ধরণের ঘটনা ঘটবে। তারপরেই যাদবপুর থানার পুলিশকে খবর দেন রেজিস্ট্রার।
পুলিশ এসে অভিযুক্ত রাজেশকে যাদবপুর থানায় আটক করে নিয়ে গেছে বলে খবর। কেন এই ধরণের ঘটনা সে ঘটিয়েছে, সে ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।