
শেষ আপডেট: 17 August 2019 07:20
এই ধাক্কায় মার্সিডিজের চালক ও আরোহী আহত হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে এয়ার ব্যাগ থাকায় বেঁচে গিয়েছেন তাঁরা। মার্সিডিজে ধাক্কা মেরেই থেমে যায়নি জাগুয়ার। পুলিশ জানিয়েছে, তার গতি এতই বেশি ছিল যে তারপর পাশের পুলিশ কিয়স্কে ধাক্কা মারে সেটি। ধাক্কার জেরে কিয়স্কটি হেলে যায় পাশে। ভাগ্যক্রমে সেই সময় সেখানে কোনও পুলিশকর্মী ছিলেন না। সেই কিয়স্কের পাশেই বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে তিনজন দাঁড়িয়েছিলেন বলে খবর। তাঁদেরও পিষে দেয় জাগুয়ার।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে আসে শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ। তারা তিন পথচারী ও মার্সিডিজের দুই আরোহীকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যায় এসএসকেএম-এ। সেখানে ডাক্তাররা জানিয়ে দেন, দুর্ঘটনায় দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। তৃতীয় ব্যক্তি ও মার্সিডিজের দুই আরোহী এসএসকেএম-এ ভর্তি রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত দু'জনের নাম কাজি মহম্মদ মইনুল আলম ( ৩৬ ) ও ফারহানা ইসলাম তানিয়া ( ২৮ )। দু'জনেই বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
দুর্ঘটনার পর সেখানেই গাড়িটি ফেলে চম্পট দেয় জাগুয়ারের চালক। গাড়িটিকে আটক করেছে পুলিশ। তার নম্বর প্লেট ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মালিকের খোঁজ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অত রাতে শহরের সব সিগন্যালেই অটোমেটিক সিগন্যাল কাজ করে। কিন্তু জাগুয়ারটি এতটাই গতিতে আসছিল, যে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি। গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে মোটর ভেহিক্যালস অ্যাক্টের একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই কমিশনের তরফেও পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ডিসি সাউথ মিরাজ খালিদ জানিয়েছেন, "প্রাথমিক ভাবে আরটিও সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়িটি কলকাতার এক বিখ্যাত বিরিয়ানি চেনের মালিকের গাড়ি। আরও খোঁজখবর চলছে। শিগগির আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"