
শেষ আপডেট: 13 July 2019 13:59
সঙ্গে সঙ্গে ডাউন লাইনের বিদ্যুৎ বন্ধ করে সেখানে ছুটে যান মেট্রোর নিরাপত্তারক্ষীরা। ওই ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ট্রেন টানেলের মধ্যে আটকে যাওয়ায় চালকের কেবিন দিয়ে বাকি যাত্রীদের বের করে নিয়ে আসা হয়।
ঘটনার পরে যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন যাত্রীরা। তাঁরা বিক্ষোভও দেখান। ঘটনার পরেই ডাউন লাইনে মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যাত্রীদের অভিযোগ, যে মেট্রোতে এই ঘটনা ঘটেছে, তা পুরনো রেক নয়, একেবারে অত্যাধুনিক এসি রেক। কিন্তু তাহলে হাত আটকে থাকা অবস্থায় কীভাবে চলতে শুরু করল মেট্রো। যেখানে গেট পুরোপুরি বন্ধ না হলে ড্রাইভারের কাছে বার্তা পৌঁছে যায়, সেখানে কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল। তাহলে কি চালকের কাছে বার্তা যায়নি। নাকি বার্তা যাওয়ার পরেও চালকের গাফিলতিতে ঘটল এই দুর্ঘটনা।
এই ঘটনার পর মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রানী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সন্ধ্যা পৌনে ৭টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে কবি সুভাষগামী একটি মেট্রোতে দরজায় আটকে যায় এক যাত্রীর হাত। পার্ক স্ট্রিট থেকে মেট্রো ছাড়ার পরে যাত্রীর হাত আটকে গিয়েছিল বলে শোনা গেছে। চারটে কোচ সেই সময় বেরিয়ে গিয়েছিল। মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার পি সি শর্মার নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।