দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিউটাউনের আবাসনে সপরিবার আক্রান্ত সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক অঙ্কুর রায়। অভিযোগের তির তাঁরই প্রতিবেশী গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের মেহেদি হোসেনের বিরুদ্ধে। অঙ্কুর বাবুর অভিযোগ, লোহার রড দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিউটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে এখনও কেউ গ্রেফতার হননি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঠিক কী কারণে এমনটা ঘটেছে তা সঠিক ভাবে জানা যায়নি। তবে পুরনো কোনও আক্রোশের জেরেই এমনটা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তের পর অনুমান করছে পুলিশ।
অধ্যাপক অঙ্কুর রায়ের অভিযোগ, গতকাল সন্ধ্যায় ডাক্তার দেখিয়ে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। আবাসনের নীচে গাড়ি পার্ক করে লিফটের কাছে যেতেই তাঁদের উপর চড়াও হয় তিন-চারজন। এঁদের মধ্যে ছিলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেহেদী হোসেনের দুই ভাই। প্রথমে অঙ্কুর বাবুর স্ত্রী'র উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। লোহার রড দিয়ে তাঁকে মারধর করতে থাকে দুষ্কৃতীরা। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে মার খান অঙ্কুর বাবুও। এমনকি দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রেহাই পায়নি তাঁদের ১৪ বছরের ছেলেও। তাকেও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অঙ্কুর বাবু জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রীর গলায় এবং হাতে ও পায়ে একাধিক জায়গায় আঘাত লেগেছে। লোহার রড দিয়ে মারধরের ফলে চোট পেয়েছেন তিনি নিজেও। চোট লেগেছে তাঁর ছেলেরও।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, বছর খানেক আগে এই দুই পরিবারের মধ্যে গাড়ির পার্কিং নিয়ে বিস্তর ঝামেলা হয়েছিল। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। পুরনো শত্রুতার জেরেই এই হামলা কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদিও গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনার সময় গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের মেহেদি হোসেনের ফ্ল্যাটে কেউ ছিলেন না। তালাবন্ধ ছিল ঘর।