দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেষ্টপুরের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, হাতা-পা বাঁধা ছিল তরুণীর। মুখে লাগানো ছিল সেলোটেপ। পেশায় আইটি কর্মী ওই তরুণীর নাম খুশবু কুমারী (২৮)। স্বামী বিবেক কুমারের সঙ্গে কয়েক বছর ধরে কেষ্টপুরের এই আবাসনে থাকতেন ওই তরুণী। শুক্রবার সকালে কেষ্টপুরের ওই ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর দেহ উদ্ধার করেছে বাগুইআটি থানার পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, খুশবুর স্বামী বিবেক কুমার পেশায় অধ্যাপক। একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তিনি পড়ান। মৃত্যুর খানিকক্ষণ আগেও স্ত্রী’র সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। দেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে আসে ফরেন্সিক টিম। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে নিয়ে গিয়েছে তারা। গৃহবধূর রহস্যমৃত্যুতে তদন্তে নেমেছে বাগুইআটি থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে মৃতার স্বামীকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থী স্থানীয়দের এবং মৃতার প্রতিবেশীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, এ দিন ফ্ল্যাটের ভিতর একটি খাটের উপর সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় খুশবুর দেহ। খাটের উপর পড়েছিল একটি ছোট টুলও। এমনকী দরজা ভিতর থেকে লক থাকলেও বাইরে ঝুলছিল একটি চাবি। কে বা কারা এই খুনের সঙ্গে জড়িত সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানতে পারেনি পুলিশ। আচমকাই গৃহবধূর মৃত্যুতে দানা বাঁধছে রহস্য। পারিবারিক অশান্তির জের নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও গভীর ষড়যন্ত্র তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে বাগুইআটি থানার পুলিশ। খুশবু আত্মহত্যা করেছেন, নাকি খুন করা হয়েছে তাঁকে, ফরেন্সিক রিপোর্ট হাতে পেলেই তা জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তেও পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।