পেট ভর্তি খাবার পেল ময়দানের ঘোড়ারা, তৃষ্ণা মেটানোর জলও, উদ্যোগ পুলিশের, হাত বাড়াল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের ময়দানে নির্জলা ঘোড়ারা জল পেল। একইসঙ্গে পেল পেট ভরানোর খাবারও। কলকাতা পুলিশ, মাউন্টেড পুলিশের উদ্যোগ আর আশারি নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার চেষ্টায় ১৬০টি ঘোড়াকে দেওয়া হল খাবার এবং জল। সোমবার খাবার এবং জল পৌঁছে দেওয়া
শেষ আপডেট: 6 April 2020 18:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের ময়দানে নির্জলা ঘোড়ারা জল পেল। একইসঙ্গে পেল পেট ভরানোর খাবারও। কলকাতা পুলিশ, মাউন্টেড পুলিশের উদ্যোগ আর আশারি নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার চেষ্টায় ১৬০টি ঘোড়াকে দেওয়া হল খাবার এবং জল। সোমবার খাবার এবং জল পৌঁছে দেওয়া হয় ঘোড়াদের।
দু'দিন আগেই কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন আধিকারিক উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ময়দানের ঘোড়াদের নিয়ে। খাবারের সংস্থান নিয়ে চিন্তা না থাকলেও তিলোত্তমার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ঘোড়াদের তৃষ্ণা মেটানোর জল নিয়ে ছিল সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ। পুলিশের পক্ষ থেকে মৌখিক ভাবে আবেদনও জানানো হয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে এগিয়ে আসার। সমাজসেবী মিমি দাসের উদ্যোগেই আশারি এগিয়ে আসে ঘোড়াদের জন্য।

মূলত জল খাওয়ার পাত্রের অভাবে নির্জলা থাকতে হচ্ছ ঘোড়াদের। যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় প্রশাসনের মধ্যে। ঘোড়াদের জল খাওয়ার জন্য বড় গামলা বা বাথটাব ব্যবহার করা হয়। কিন্ত সেই ধরনের জিনিস পুলিশের কাছে ছিল না। অত বড় পাত্র না পাওয়া গেলেও এক একটি ঘোড়ার জল রাখার মতো পাত্রের বন্দোবস্ত হয়েছে। খাবার দিয়েছে মাউন্টেড পুলিশ। নিয়ম করে জল দেবে পুরসভা।

কলকাতা পুলিশের এক অফিসার জানিয়েছেন, ময়দানে যে ঘোড়ার গাড়ি চলে তার অধিকাংশ আসে রাজাবাজার এলাকা থেকে। আর কিছু ঘোড়া থাকে হেস্টিংস এলাকায়। লকডাউনের এই সময়ে বেশ কিছু ঘোড়াকে ময়দানে ছেড়ে রেখে চলে গেছে তাদের মালিকরা। সোমবার হেস্টিংস মাজারের পাশে সারি দিয়ে ঘোড়াদের দাঁড় করিয়ে জল ও খাবার দেয় পুলিশ।