দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ রাতের কলকাতা ফের একবার অশান্ত হল। হামলা, বোমাবাজি ও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল কড়েয়া থানা এলাকার একটি হুক্কা বারে। চারটি বোমা ও তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় বলে জানা গিয়েছে। বারের মালিককে না পেয়ে ম্যানেজারকে মারা হয় বন্দুকের বাট দিয়ে। গুরুতর আহত তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা নাগাদ কড়েয়া থানা এলাকার নাসিরুদ্দিন রোডের একটি হুক্কা বারে ঘটে এই ঘটনা। অন্যান্য দিনের মতোই খোলা ছিল হুক্কা বারটি। হঠাৎ করে রাত দেড়টা নাগাদ বছর ২৩-এর এক যুবক নিশাত হায়দার ওই হুক্কা বারে আসে। তার সঙ্গে আরও তিনজন যুবক ছিল। সেখানে এসেই তারা বারের মালিক রাহুল সিংয়ের খোঁজ করতে থাকে। কিন্তু সেই সময় রাহুল বারে ছিলেন না বলেই খবর।
জানা গিয়েছে, মালিক না থাকায় ম্যানেজার মহম্মদ আমিন তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য এগিয়ে আসেন। সেইসময় তাঁর সঙ্গে ওই চারজন দুর্ব্যবহার করে বলে খবর। তারপরেই ম্যানেজারকে মারধর করা হয়। বন্দুকের বাট দিয়ে তাঁকে মারা হয়। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি।
এই ঘটনার পরেই ওই হুক্কা বার থেকে নিশাত হায়দার ও বাকি তিনজন বেরিয়ে যায় বলে খবর। তবে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তারা বোমাবাজি ও গুলি চালাতে থাকে। চারটি বোমা ছোড়া হয় বলে জানা গিয়েছে। এমনকি তিন রাউন্ড গুলি চালিয়েছে ওই যুবকরা। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়।
যুবকরা চলে যাওয়ার পরেই কড়েয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বারের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ওই যুবকদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। কী কারণে এই হামলা তা এখনও পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে। তবে প্রাথমিক অনুমান, তোলাবাজির কারণে এই হামলা চালানো হতে পারে। অবশ্য এর মধ্যে পারিবারিক বিবাদও যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। হুক্কা বারের মালিক ও কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে কড়েয়া থানার পুলিশ।