দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাগবাজারে বস্তিতে বিধ্বংসী আগুন লেগেছে। উত্তুরে হাওয়ায় ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে এই আগুন। ইতিমধ্যেই আগুনের গ্রাসে বেশ কিছু বাড়ি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছেছে দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছেছে শ্যামপুকুর থানার পুলিশ। গোটা ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।
এদিন বিকেলে বাগবাজার ব্রিজের কাছে বস্তিতে আগুন লাগে। কাছেই বাগবাজার উওমেন্স কলেজ। আগুন লাগার পরেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। উত্তুরে হাওয়া থাকায় দ্রুত ছড়ায় আগুন। মুহূর্তের মধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়ে যায়। খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক দেরিতে দমকল এসে পৌঁছেছে। তার ফলে আগুন আরও ছড়িয়ে পড়েছে। পরে দমকলের আরও ২০টি ইঞ্জিন পৌঁছয় সেখানে।
এই এলাকা শ্যামপুকুর থানার মধ্যে পড়ে। তাই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় শ্যামপুকুর থানার পুলিশ। তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। অনেকের অভিযোগ, ইতিমধ্যেই তাঁদের সর্বস্ব পুড়ে গিয়েছে। বস্তির ভিতরে একের পর এক গ্যাস সিলিন্ডার ফাটার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। অনেক দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। দ্রুত আগুন না নেভাতে পারলে আরও অনেক বাড়ি পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গঙ্গাসাগর থেকে ইতিমধ্যেই বাগবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
দমকলের তরফে জানানো হয়েছে, পাশেই বাগবাজার খাল থাকায় জলের সমস্যা হবে না। দরকার পড়লে সেই জল ব্যবহার করবে তারা। কী কারণে এই আগুন লেগেছে তার কারণ স্পষ্ট নয়। তবে আগুন লাগায় লক গেট ব্রিজ ও আশপাশের রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গিরিশ পার্ক থেকে সেন্ট্রাল এভিনিউ পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার ফলে বিশাল যানজট গোটা উত্তর কলকাতা জুড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামাতে হয়েছে র্যাফ।