দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। তাই কলকাতা পুরসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জনবহুল এলাকা, বাজারে স্বাস্থ্যকর্মীরা পৌঁছে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কিটের মাধ্যমে কোভিড পরীক্ষা করবেন। আর তা করতে গিয়েই রবিবার পাতিপুকুর বাজারে মিলল পাঁচ কোভিড আক্রান্তের খোঁজ।
এই কিটের মাধ্যমে আধ ঘণ্টার মধ্যেই রিপোর্ট জানা যায়। ক্রেতা, বিক্রেতা, পথচলতি মানুষদের মধ্যে র্যান্ডম টেস্ট করছেন পুরকর্মীরা। এদিন ৬০ জনের টেস্ট হয়। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে পাঁচ জনের পজিটিভ মিলেছে তাঁদের মধ্যে তিন জনের শরীরে কোভিডের উপসর্গ রয়েছে। পাতিপুকুর বাজার পড়ে কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে। ওই ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর তথা কোঅর্ডিনেটর হলেন চিকিৎসক শান্তনু সেন। আইএমএ-এর পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, “উপসর্গ থাকুক চাই না থাকুক—যাঁদের অ্যান্টিজেন টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তাঁদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে কটা দিন বাড়ি থেকে বেরোবেন না।”
পাতিপুকুর বাজার কলকাতা শহরের অন্যতম বড় বাজার। দু’বেলা মিলিয়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ এখানে আসেন। রয়েছে অসংখ্য আড়ত। তাই এই বাজারকেই র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করার জন্য চিহ্নিত করা হয়।
কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, রাজ্যে এবার বেশি বেশি করে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হবে। তা ছাড়া বাংলায় গড়ে এখন প্রতিদিন ২৫ হাজার কোভিড টেস্ট হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “অন্য অনেক রাজ্যে পজিটিভ সংখ্যা কমছে কারণ তাদের ওখানে টেস্ট কম হচ্ছে। আমরা টেস্ট বাড়িয়েছি। যত টেস্ট হবে তত সংক্রামিত চিহ্নিত করতে সুবিধা হবে।”