
শেষ আপডেট: 20 June 2020 11:30
যদিও গণশক্তির তরফে মুখ্য বার্তা সম্পাদক তথা সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য অতনু সাহা বলেন, "যে সংবাদ গণশক্তিতে প্রকাশ হয়েছে তাতে বিদেশমন্ত্রক, সেনাবাহিনী ও চিনের বিদেশমন্ত্রকের পূর্ণ বয়ান রয়েছে। বিজেপির লোকজন পুরো খবরটা না পড়েই রাজনৈতিক উদ্দেশে যা করার করছেন। দেশের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সংবাদ মাধ্যমের দায়িত্ব রয়েছে। গণশক্তি সেই দায়িত্ব পালন করে আসছে।"
যদিও বিক্ষোভ দেখাতে আসা অনেক মহিলার মোর্চার কর্মীই বলতে পারেননি তাঁরা কেন এসেছেন। তবে নেতৃত্বের অভিযোগ, তাঁরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখাতে এসেছিলেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ অন্যায় ভাবে তাঁদের গ্রেফতার করেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তেজনার আঁচ পেয়ে দলের মহিলা কর্মীদের জড়ো হওয়ার ডাক দিয়েছিল সিপিএম। যদিও সেই জমায়েত রাস্তায় ছিল না। গণশক্তি ভবনের উল্টোদিকে সিপিএমের কলকাতা জেলা দফতর প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনে জড়ো হয়েছিলেন গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির নেতৃত্ব ও কর্মীরা। কিন্তু কোনও সংঘাতের ঘটনা এদিন ঘটেনি। সতর্ক ছিল পুলিশও।
এদিন সৌরিশ ভট্টাচার্য নামের এক যুব মোর্চার কর্মীকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি মহিলাদের মধ্যে ঢুকে উস্কানি দিচ্ছিলেন। যদিও তাঁর দাবি, যুব মোর্চার কর্মীর হিসেবে সংহতি জানাতেই তিনি এসেছিলেন। মোট ৭০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাঁদের ছেড়েও দেওয়া হয়।