দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন করে মেট্রোর কাজ শুরু হতেই ফের ফাটল বউবাজারের বাড়িতে। মোট ২৩টি বাড়ির ছাদ এবং দেওয়ালে নতুন করে ফাটল দেখা গিয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ওই সব ফাটল পরিদর্শন করে গিয়েছেন কেএমআরসিএল-এর আধিকারিকরা। কিন্তু নতুন করে কাজ শুরু হতেই ফের ফাটল দেখা দেওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী।
২০১৯ সালে অগস্ট মাসের ভয়াবহ স্মৃতি জনমানসে এখনও তাজা। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ চলছিল বউবাজার এলাকায়। সুড়ঙ্গ খুঁড়তেই শুরু হয়েছিল বিপত্তি। প্রথমে ফাটল দেখা দেয় একাধিক বাড়িতে। তারপর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে শতাব্দী প্রাচীন বেশ অনেকগুলো বাড়ির। প্রাণে বাঁচলেও এমন দুর্ঘটনার জেরে ভিটেমাটি ছাড়া হতে হয়েছিল এই এলাকার অনেককালের বাসিন্দাদের। ঠাঁই হয়েছিল শহরের হোটেলে। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর জন্য সুড়ঙ্গে বোরিং মেশিনের কাজ চলাকালীন কার্যত যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল বউবাজার সংলগ্ন এলাকা। চারিকে ধুলো-ধোঁয়া আর ভাঙা বাড়ির অংশ ছাড়া নজরে আসেনি বিশেষ কিছুই।
এই পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে কিছুটা হলেও সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর আংশিক রুটও চালু হয়েছে ইতিমধ্যেই। সমস্তরকম সাবধানতা নিয়েই নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু তার পরেও কাজ শুরু পরে নতুন করে ফাটল দেখা গিয়েছে গৌর দে লেনে। বাসিন্দাদের দাবি নতুন করে কাজ শুরুর পরেই এই ফাটল দেখা দিয়েছে। চরম আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, মেট্রোর সুড়ঙ্গে বোরিং মেশিন দিয়ে গৌর দে লেন এলাকার নীচে কাজ শুরু হতেই নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে ২৩টা বাড়িতে।
ইতিমধ্যেই ফাটলগুলি চিহ্নিত করেছেন কেএমআরসিএলের আধিকারিকরা। ফাটলগুলি কী হারে বাড়ছে সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসীর অনেকেই। তবে বড়সড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা নেই বলেই দাবি করেছেন কেএমআরসিএল আধিকারিকরা।