
শেষ আপডেট: 21 January 2022 14:22
কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, প্রায় ৩৫০ হকারকে নতুন করে জায়গা করে দেওয়া হবে। স্কাইওয়াকের ওপর যে বাজার তৈরি হবে, সেখানেই প্রত্যেক দোকানিকে বসার জায়গা করে দেওয়া হবে। ১৮ মাসের মধ্যে মন্দিরের সংস্কার ও স্কাইওয়্যাক তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে।
এতে অখুশি দোকানদারদের একাংশ। অভিজিৎ চক্রবর্তী বললেন, ‘আমাদের মুখচেনা খদ্দের। স্কাইওয়াকে স্টলে তাঁরা আর আসবে না। দোকানের পজিশনটা একটা ব্যাপার। যাদের হাজরা পার্কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা মাছি তাড়াচ্ছে। দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াকে বহু হকার জায়গা পায়নি। আমাদেরও সেই পরিস্থিতি হবে।’
এখন মন্দির খোলা রয়েছে। মাস্ক পরে দর্শনার্থীরা আসছেন। তারমধ্যেই মন্দির চত্বরের বিভিন্ন অংশে সংস্কারের কাজ চলছে। তৈরি করা হয়েছে বহু দোকানঘর। সেগুলি ভাগ করে দেওয়া হবে মন্দির চত্বর সংলগ্ন হকারদের মধ্যে। কালীঘাট মন্দির লাগোয়া দোকানিদের সরিয়ে পার্শ্ববর্তী চাতালেই ঠিকানা করে দেওয়া হয়েছে। এবার প্রবেশপথের হকার্স কর্নার ও ফুটপাতের হকারই পুরসভা ও প্রশাসনের মাথাব্যথার কারণ।
এক মহিলা চায়ের দোকানি বললেন, ‘সুন্দর করে সাজানো হচ্ছে। সাজানোর ঠ্যালায় মন্দিরের কাছের বটগাছটাও কাটা পড়বে বোধহয়। দক্ষিণেশ্বরে অনেক জায়গা ছিল। এখানে সেই জায়গা কই।’
কালীঘাটের সেবাইতদের একজন তারক রায় জানালেন, পাণ্ডা এবং তাঁদের কাজও ওলটপালট হয়ে যাবে। পুজো দিতে লোকজন কোথা দিয়ে ঢুকবেন–বেরোবেন, কিছুই বুঝতে পারছেন না তাঁরা।
আগামী বছর মে মাস নাগাদ স্কাইওয়াকের কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হবে না বলে মনে করছে মন্দির চত্বরের বাসিন্দারা। ধীরেন ঘোষ বললেন, ‘পাশেই আমার বাড়ি। অনেক পুরনো। একদম গা ঘেঁষে স্কাইওয়াক যাবে। বাড়ির ক্ষতি হবে কীনা কে জানে।’
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'