দ্য ওয়াল ব্যুরো: এনকাউন্টারে খতম মোস্ট ওয়ান্টেড জইশ কম্যান্ডার মুন্না লাহোরি। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালে সোপিয়ান জেলায় হওয়া একটি এনকাউন্টের খতম হয়েছে এই কুখ্যাত জঙ্গি।
সেনার কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল যে সোপিয়ানেই লুকিয়ে রয়েছে মুন্না লাহোরি। সেই সূত্র অনুযায়ী শুরু হয় অপারেশন। শুক্রবার রাতভর চলে গুলির লড়াই। শনিবার ভোরে জানা যায় যে নিজের বিশ্বস্ত অনুচরদের সঙ্গে সেনার গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছে জইশ-ই-মহম্মদের এই কম্যান্ডারও। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, বিহারি নামেও পরিচিতি ছিল জইশ কম্যান্ডার মুন্না লাহোরির। জঙ্গি সংগঠনে কাদের যুক্ত করা হবে সে ব্যাপারেও খেয়াল রাখতো এই লাহোরিই। কাশ্মীরের অসংখ্যা সাধারণ নাগরিক খুনের পিছনেও মাথা ছিল এই মুন্না লাহোরির।
প্রথমে অবশ্য পুলিশ জানতে পারে যে শনিবার সকালে এনকাউন্টারে ২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। এরপর নিহত জঙ্গিদের পরিচয় জানতে সোপিয়ান জুড়ে শুরু হয় তল্লাশি। দেহ শনাক্তকরণের পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ নিশ্চিত ভাবে জানায় যে এনকাউন্টের মারা গিয়েছে মুন্না লাহোরি ও তার এক সঙ্গী। দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার বোনাবাজার এলাকায় এই এনকাউন্টার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করতেই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তারক্ষীরাও। দু'পক্ষের গুলির লড়াইয়েই খতম হয়েছে এই কুখ্যাত জইশ জঙ্গি লাহোরি।
গত পাঁচ বছরে ৯৬০ জন জঙ্গিকে উপত্যকায় খতম করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। চলতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি সিআরপিএফ কনভয়ে জইশ-ই-মহম্মদের আত্মঘাতী হামলার পর আরও কড়া হয়েছে নিরাপত্তা। এনকাউন্টারে জঙ্গি নিধনের পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে এবং আইন-শৃঙ্খলা সঠিক ভাবে বজায় রাখতে মোতায়েন করা হচ্ছে অতিরিক্ত সেনাও। এর পাশাপাশি সম্প্রতি মাসুদ আজহারকেও আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। গ্রেফতারির পর কোণঠাসা হয়েছে হাফিজ সইদও।