দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সাতসকালে গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ান। সিআরপিএফ, ভারতীয় সেনা এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ উদ্যোগে জারি রয়েছে এনকাউন্টার। গোপন সূত্রে নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে খবর ছিল সোপিয়ানে গা-ঢাকা দিয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। সেই সূত্র ধরেই শুরু হয় অভিযান। নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তাবাহিনীও। সেনার তরফে জানানো হয়েছে অন্তত ২ থেকে ৩ জন জঙ্গি সোপিয়ানের রেবান এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে। তাদের ঘিরে ফেলেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার রেবান এলাকা। সাধারণ স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চলছে নজরদারি।
লকডাউন চলাকালীন বারবার উত্তপ্ত হয়েছে উপত্যকা। করোনাভাইরাসের ফলে সারা বিশ্ব জুড়ে চলছে কঠিন পরিস্থিতি। অবস্থা বেশ খারাপ ভারত এবং পাকিস্তানেও। তা সত্ত্বেও এই পরিস্থিতিতে সীমান্ত বরাবর অসংখ্যবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে পাক সেনা। এলওসি বরাবর অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে জঙ্গিরা। কুলগাম, পুলওয়াম, শ্রীনগর, সোপিয়ানে----গুলির লড়াই চলেছে সর্বত্রই।
তবে এইসব অভিযানে জওয়ানরা শহিদ হওয়ার পাশাপাশি বড়সড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীও। মে মাসের শুরুর দিকে পুলওয়ামায় নিজের গ্রাম বেইঘপোরায় এনকাউন্টারে খতম হয়েছিল হিজবুল মুজাহিদিনের কুখ্যাত কম্যান্ডার এবং মোস্ট ওয়ান্টেড রিয়াজ নাইকু। সদ্যই খতম হয়েছে আর এক জঙ্গি। চলতি মাসের শুরুতেই পুলওয়ামা এনকাউন্টারে খতম হয়েছে জইশ-ই-মহম্মদের বোমা বিশেষজ্ঞ এবং ফিদায়েঁ প্রশিক্ষক ফৌজি ভাই। গত বছর সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের পিছনেও এই ফৌজি ভাইয়ের সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
এছাড়াও লকডাউন চলাকালীন খতম হয়েছে হিজবুল এবং জইশের আরও কয়েকজন জঙ্গি। নিহত হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের আইএস শাখার দুই জঙ্গিও।