
শেষ আপডেট: 12 July 2021 13:01
গজনি প্রদেশে কাউন্সিলের সদস্য হাসান রেজাই বলেছেন, গজনির পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। আফগান নিরাপত্তা বাহিনী (এএনডিএসএফ)-র সঙ্গে প্রবল গুলির লড়াই চলছে। আফগান সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে তালিবানরা। স্থানীয় মানুষজনের বাড়িঘরও দখল করে নিয়েছে। দোকানপাট বন্ধ, রাস্তাঘাটও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী তারেক আরিয়ান জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ কন্দহরে তালিবানদের আধিপত্য বিস্তার হয়েছে। সেখানে এখনও আফগান বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে। কাবুল ও কন্দহরের মাঝের মূল রাস্তাটাই হচ্ছে গজনির। সেখানেও এবার পুরোপুরি সাম্রাজ্য বিস্তারের চেষ্টা করছে তালিবানরা।
এপ্রিল মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিন্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। তারপর থেকে মার্কিন বাহিনী সরে আসছে আফগানিস্তান থেকে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহারের পুরো প্রক্রিয়াটা সম্পূর্ণ হবে। বাইডেনের ঘোষণার পরেই সেখানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তালিবানরা। তাদের আধিপত্য থেকে বাঁচতে আফগানিস্তানের অনেক সরকারি আধিকারিকই গা ঢাকা দিতে শুরু করেছেন। তালিবানদের তরফেই জানানো হয়েছে, আফগানিস্তানের প্রায় ৮৫ শতাংশই নাকি তারা দখল করে ফেলেছে। এর মধ্যে ইরান সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলও রয়েছে।
আফগান সেনা সূত্র জানাচ্ছে, দেশের উত্তরাঞ্চল সহ দক্ষিণের একাধিক অঞ্চলও এখন তালিবানদের দখলে। দক্ষিণে কন্দহর ও হেলমন্দ এলাকায় তালিবানি জঙ্গিদের সঙ্গে হাজার হাজার লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিরা যোগ দিয়েছে। কন্দহরের স্থানীয় মানুষজনদের বাড়ি দখল করছে তারা, লোকজনকে পণবন্দি বানাচ্ছে। যদিও আফগান বাহিনীর দাবি, ওই সমস্ত এলাকা তালিবানদের থেকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।