দ্য ওয়াল ব্যুরো: দাবি ছিল ১৩ লক্ষ টাকার। নইলে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেলেন মহিলা। আপাতত তাঁর ঠাই শ্রীঘরে।
পুলিশ সূত্রে খবর, হরিয়ানার আম্বালার বাসিন্দা বলবিন্দর পালের সঙ্গে এক ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটের মাধ্যমে আলাপ হয়েছিল গুজরাটের এক মধ্যবয়স্কা মহিলার। ধীরে ধীরে ফোনে কথা শুরু হয় তাঁদের। এমনকী অনেকবার বলবিন্দরকে গুজরাটে এসে দেখা করার কথাও জানিয়েছিলেন মহিলা। কিন্তু বলবিন্দর যাননি। কিছু দিন পর বলবিন্দরকে বিয়ে করতে চান ওই মহিলা। বলবিন্দর জানান, তাঁর পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। কারণ স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে তাঁর।
এরপরেই বেরিয়ে আসে ওই মহিলার আসল রূপ। জানা গেছে, বলবিন্দরের কাছে ১৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন ওই মহিলা। হুমকি দেওয়া হয় টাকা না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হবে। প্রথমে ঘাবড়ে গেলেও পরে বলদেবনগর পুলিশ স্টেশনে গিয়ে সব কথা খুলে বলেন বলবিন্দর। এমনকী ওই মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
বলদেবনগর থানার এসএইচও রজনীশ যাদব জানিয়েছেন, পুরো ঘটনা শোনার পর ওই মহিলাকে হাতেনাতে ধরার জন্য তাঁরা একটা ফাঁদ পাতেন। বলবিন্দর ওই মহিলাকে জানান, তিনি ১ লক্ষ টাকা আপাতত দিতে পারবেন। সেই টাকা নিতে আম্বালাতে আসতে বলা হয় মহিলাকে। শুক্রবার আম্বালার একটি পার্কিং লটে দেখা করেন দুজন। টাকা দেওয়ার সময় হাতেনাতে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেন বলদেবনগর থানার মহিলা পুলিশ।
আপাতত ওই মহিলাকে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অনেকগুলি ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শনিবার ওই মহিলাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে।