হায়দরাবাদের মত ওদেরকেও গুলি করে মারা হোক, বললেন উন্নাওয়ের মৃতা ধর্ষিতার বাবা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমার মেয়েকে যারা জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিয়েছে তাদেরকেও গুলি করে মেরে ফেলা হোক, এমনটাই বলছেন উন্নাওয়ের মৃতা ধর্ষিতার বাবা। সদ্য মেয়েকে হারানো বাবার কথায়, "সরকার এবং প্রশাসনের থেকে এটাই চাই যে যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এমন করেছে তাঁদে
শেষ আপডেট: 7 December 2019 05:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমার মেয়েকে যারা জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিয়েছে তাদেরকেও গুলি করে মেরে ফেলা হোক, এমনটাই বলছেন উন্নাওয়ের মৃতা ধর্ষিতার বাবা। সদ্য মেয়েকে হারানো বাবার কথায়, "সরকার এবং প্রশাসনের থেকে এটাই চাই যে যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এমন করেছে তাঁদের হয় ফাঁসি হোক, নয়তো গুলি করে মারা হোক, যেমনটা হায়দরাবাদে করা হয়েছে।" পাশাপাশি তিনি এও বলেন, "আমি লোভী নই। চাই না আমায় কোনও বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হোক। আমি আর কিচ্ছুই চাই না।"
বোনের সঙ্গে হওয়া নৃশংস অপরাধের ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে বছর তেইশের ওই তরুণীর দাদাও। তিনি বলেন, "ওদেরকে মৃত দেখতে চাই। বোন বলেছিল আমায় প্লিজ বাঁচিয়ে রাখো। আমি ওদের মৃত্যু দেখতে চাই। বোন তো আর বেঁচে নেই। তাই ওই পাঁচজন বেঁচে থাকুক সেটাও চাই না।"

বৃহস্পতিবার উন্নাওয়ের ধর্ষিতা তরুণী সাক্ষী দিতে আদালতে যাচ্ছিলেন। একাই রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তরুণী। আর সেটাই কাল হল। ট্রেন ধরে রায়বরেলিতে আদালতে যাওয়ার কথা ছিল তরুণীর। কিন্তু রেলগেটের কাছে আসতেই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে দুষ্কৃতীরা। রাস্তার পাশে ঝোপে টেনে নিয়ে গিয়ে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ বসানো হয় তরুণীর শরীরে। এরপর পেট্রল ঢেলে তরুণীকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে তাঁরই ধর্ষণে অভিযুক্তরা। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ পর্যন্ত শুক্রবার রাতে মারাই যান তরুণী।
বৃহস্পতিবার নব্বই শতাংশ দগ্ধ শরীর নিয়ে লখনউয়ের কিং জর্জেস মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন তরুণী। অবস্থার অবনতি হলে সেদিন সন্ধ্যাতেই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন প্রথম থেকেই ক্ষত দ্রুত বাড়ছিল তরুণীর। অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। শুক্রবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে উন্নাওয়ের দগ্ধ ধর্ষিতার। রাত ১১টা ১০ মিনিট নাগাদ হার্ট অ্যাটাক হয় তাঁর। তরুণীকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তবে এ যাত্রায় শেষ রক্ষ হয়নি।