দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার নিয়েছে নোভেল করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধোয়ার পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আমজনতাকে। শুক্রবার সরকারের তরফে তাই জানানো হয়েছে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সব ধরনের মাস্ক বিশেষ করে N95 জাতীয় এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারকে ‘এসেনশিয়াল কমোডিটি’ বা ‘প্রয়োজনীয় দ্রব্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
ইতিমধ্যেই খোলা বাজারে মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের ঘাটতি দেখা গিয়েছে। আগামী দিনে এই নিয়ে কালোবাজারির সম্ভাবনাও থাকতে পারে। তাই সতর্কতার খাতিরে আগেভাগেই সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ‘এসেনশিয়াল কমোডিটি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী এইসব জিনিসপত্রকে প্রয়োজনীয় দ্রব্য হিসেবেই বিক্রি করা করা হবে। কেন্দ্রের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কার্যকর হবে দেশের সব রাজ্যে। কালোবাজারির ফাঁদে না পড়ে ক্রেতারা যেন সহজে এবং সুলভে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারেন সেইজন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। ‘এসেনশিয়াল কমোডিটি অ্যাক্ট’-এর আওতায় থাকা এই নিয়ম না মানলে দোষীর ৭ বছর পর্যন্ত জেল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সারা পৃথিবী জুড়ে মহামারীর আকার নিয়েছে নোভেল করোনাভাইরস। CONVID-19 ভাইরাসের আতঙ্কে ত্রস্ত ভারতবাসীও। ইতিমধ্যেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে। আক্রান্তের সংখ্যা ৮২। সব মিলিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি ছড়িয়েছে দেশে। এই অবস্থায় সংক্রমণ রোখার প্রয়োজনীয় মাস্ক, স্যানিটাইজার---এইসবেরও ঘাটিতি দেখা গিয়েছে বাজারে। তাই সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার খাতিরে এবার তৎপর কেন্দ্র। যাতে কোনওরকম কালোবাজারি না হয় এবং সাধারণ মানুষ অনায়াসেই প্রয়োজনীয় মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনতে পারেন সেইজন্যই এইসব জিনিসকে ‘এসেনশিয়াল কমোডিটি’-র আওতাভুক্ত করা হয়েছে।