Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

করোনা সন্দেহে দিল্লি এইমসের তিনতলা থেকে ঝাঁপ রোগীর, অল্পের জন্য রক্ষা যুবকের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা হয়েছে এই সন্দেহে ফের হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক যুবক। বছর ৩৭-এর এক যুবক ভর্তি ছিলেন দিল্লি এইমসের ট্রমা সেন্টারে। উপসর্গ দেখে চিকিৎসকরা অনুমান করেছিলেন সম্ভবত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এই য

করোনা সন্দেহে দিল্লি এইমসের তিনতলা থেকে ঝাঁপ রোগীর, অল্পের জন্য রক্ষা যুবকের

শেষ আপডেট: 5 April 2020 09:27

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা হয়েছে এই সন্দেহে ফের হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক যুবক। বছর ৩৭-এর এক যুবক ভর্তি ছিলেন দিল্লি এইমসের ট্রমা সেন্টারে। উপসর্গ দেখে চিকিৎসকরা অনুমান করেছিলেন সম্ভবত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এই যুবক। নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। কিন্তু রিপোর্ট আসার আগেই হাসপাতালের তিনতলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। অল্পের জন্য এ যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন ওই যুবক। তবে পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছে তাঁর। যদিও যুবকের অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আপাতত যুবকের টেস্ট রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছে হাসপাতাল। দিল্লির মাতা সুন্দরী রোডের আইপি এস্টেট এলাকার বাসিন্দা এই যুবক। গত ৩১ মার্চ এইমসের জয় প্রকাশ নারায়ণ অ্যাপেক্স ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয় তাঁকে। শনিবার রাতে হাসপাতালের তিনতলা থেকে ঝাঁপ দেন এই যুবক। প্রথমে একটি টিনের ছাদের উপর পড়েন তিনি। তারপর সটান মাটিতে পড়ে যান ওই যুবক। বরাত জোরে এ যাত্রায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন তিনি। ক’দিন আগে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালেও একই কাণ্ড ঘটেছিল। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্য যুবকের মৃত্যু হয়েছিল। সিডনি থেকে দিল্লি ফেরার পর বিমানবন্দর থেকেই যুবককে নিয়ে যাওয়া হয় সফদরজং হাসপাতালে। করোনা সন্দেহে নমুনা পাঠানো হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য। হাসপাতালের ভর্তির দিন রাতেই সাততলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই যুবক। পরে দেখা যায় কোভিড ১৯ নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে ওই যুবকের।

```