১৮ তলা বাড়ি ভাঙা হল বিস্ফোরণে, কোচিতে নিয়ম ভাঙার শাস্তি
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপকূলীয় এলাকায় আবাসন নীতি না মেনে তৈরি হয়েছিল বহুতল আবাসন। এবার সেগুলোই ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার সকাল থেকেই কোচির মারাডুতে উপকূলবর্তী এলাকায় শুরু হয় আবাসন ভাঙার কাজ। প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে আশপা
শেষ আপডেট: 11 January 2020 09:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপকূলীয় এলাকায় আবাসন নীতি না মেনে তৈরি হয়েছিল বহুতল আবাসন। এবার সেগুলোই ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার সকাল থেকেই কোচির মারাডুতে উপকূলবর্তী এলাকায় শুরু হয় আবাসন ভাঙার কাজ। প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে আশপাশ। ইতিমধ্যেই দু'টি বিল্ডিং ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে খবর। সূত্রের খবর, পুকুর বুজিয়ে তৈরি হয়েছিল এইসব ফ্ল্যাট। তাই সেগুলি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।
টুইটারে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। দেখা গিয়েছে, আচমকাই ধসে গিয়েছে একটি বহুতল। চারপাশ ঢেকে গিয়েছে ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে। জানা গিয়েছে, মারাডুর উপকূলে ওই আবাসনে রয়েছে মোট ৪টি বহুতল। মোত ফ্ল্যাটের সংখ্যা ৩৫০। রয়েছে প্রায় আড়াইশো পরিবার। তবে শনিবার থেকে টানা দু'দিনে ভেঙে ফেলা হবে চারটি বহুতলই। শনিবার সকালেই একটি আবাসন ভেঙে ফেলা হয়েছে কেরল সরকারের তরফে। প্রবল বিস্ফোরণে কয়েক সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ হয়েছে ওই বহুতল। নিপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাসিন্দাদের।
https://twitter.com/i/status/1215873513812180993
জানা গিয়েছে, মোট ৮০০ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হবে এইসব বিল্ডিংগুলি ভেঙে ফেলার জন্য। অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে। আশেপাশের এলাকায় যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে সেদিকেও কড়া নজর রয়েছে প্রশাসনের। ভাঙার কাজ শেষ হলে দু'মাসের মধ্যে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ফেলা হবে বলে জানা গিয়েছে। সাবধানতা অবলম্বনের জন্য শনিবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত ওই এলাকায় যান চলাচল এবং মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থলযান, জলযান এবং উড়ানও বন্ধ রাখা হয়েছে ওই এলাকায়। মারাডুর যে এলাকায় আবাসনটি ভেঙে ফেলা হয়েছে সেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধুলো থেকে বাঁচতে বাড়ির দরজা জানালা বন্ধ রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভাঙার কাজ চলবে। ততক্ষণ জারি থাকবে এইসব নিষেধাজ্ঞা।

ভেঙে ফেলা ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের জন্য অস্থায়ী ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেরল সরকার। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে মারাডুর চারটি আবাসন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর জন্য ১৩৮ দিন সময় দেওয়া হয় কেরল সরকারকে। শনিবার সকালে যে আবাসনটি প্রথমে ভাঙা হয় ১৮ তলা সেই বিল্ডিংয়ে ছিল ৯০টি পরিবার। এরপর যে আবাসনটি হবে সেখানে রয়েছে ৭৩টি ফ্ল্যাট। প্রতিটি ফ্ল্যাটের মালিককে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।