দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি-র ছাত্র।
চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা। সিএএ বিরোধী এবং সমর্থকদের সংঘর্ষে দিন পাঁচেক ধরে তাণ্ডব চলেছিল রাজধানী শহরের বুকে এই ঘটনায় একজন পুলিশ কনস্টেবল এবং একজন গোয়েন্দা অফিসার-সহ ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন প্রায় ৩০০ মানুষ। সেই সময়েই আবার ভারত সফরে এসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
অভিযোগ, দিল্লির এই হিংসার ঘটনাতেই জড়িত ছিলেন জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মিরন হায়দার। এই মিরন হায়দার আবার লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল(আরজেডি)-র দিল্লি যুব শাখারও প্রধান। পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনায় উস্কানি দেওয়ার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার করা হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ থেকে গুণ্ডাবাহিনী আনিয়ে জায়গা চিহ্নিত করে নিশানা বানিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই অশান্তি তৈরি করা হয়েছিল উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিভিন্ন এলাকায়।
মানুষের মৃত্যু এবং জখম হওয়ার পাশাপাশি পুড়েছিল অসংখ্য বাড়িঘর এবং দোকানপাট। বেশ কিছু জায়গায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য জারি হয়েছিল কার্ফু। কার্যত কয়েকদিনের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল রাজধানীর একটা বড় অংশ। বড়সড় মাত্রায় ক্ষতি হয়েছিল সরকারি সম্পত্তির। প্রকাশ্য রাস্তায় রিভলভার উঁচিয়ে পুলিশের উপর আস্ফালন করতেও দেখা যায় এক যুবককে।
আম-আদমি পার্টির সাসপেন্ড হওয়া কাউন্সিলর তাহির হুসেন এবং তাঁর ভাই সহ মোট সাতজনকে ইতিমধ্যেই দিল্লি হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রসঙ্গত, গোয়েন্দা অফিসা অঙ্কিত শর্মা খুনে নাম জড়িয়েছে এই তাহির হুসেনের। এছাড়াও তাহিরের বিরুদ্ধে দিল্লি হিংসায় আর্থিক সাহায্য করার অভিযোগও এনেছে ইডি।