
শেষ আপডেট: 29 October 2018 18:11
২৩ অক্টোবর কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকায় সেনার এক ব্রিগেডের হেড কোয়ার্টারে হামলা চালিয়েছিল পাক সেনা। সেই হামলার বদলা নেওয়ার জন্যই এ দিন এই হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর। যদিও এই হামলায় শুধুমাত্র সেনার হেড কোয়ার্টার ও জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরকেই নিশানা করা হয়েছে। হাজিরা, বান্দি গোপালপুর, নিকিয়াল, সামানি, খুইরাত্তা প্রভৃতি এলাকার বাসিন্দারা সুরক্ষিত আছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা।
এ মাসেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন, ভারতীয় সেনাকে বলা হয়েছে প্রথমে গুলি না চালাতে। কিন্তু পাকিস্তানের তরফে হামলা হলে বিনা দ্বিধায় প্রতি আক্রমণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুধুমাত্র ২০১৮ সালেই পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে যুদ্ধবিরুতি লঙ্ঘন করে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে ১৫৯১ টি।
তা ছাড়াও সেনা ও পুলিশের বিভিন্ন আধিকারিককে অপহরণ করে খুনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। এই কারণেই বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ পাক বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। ভারত চুপ থাকলেও যে এই ধরণের ঘটনা বরদাস্ত করবে না তা বারবার বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তারপরেও অনুপ্রবেশ ও হামলা থামায়নি পাক সেনা। তাই জবাব দিতেই এ দিন এই হামলা করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। সেনার তরফে আরও জানানো হয়েছে, গত এক বছরে সেনার হাতে ১৩৮ জন পাক অনুপ্রবেশকারী নিহত হয়েছে।