Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তান-চিন বাস পরিষেবা, তীব্র বিরোধিতা দিল্লির

দ্য ওয়াল ব্যুরো : পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তান-চিন প্রস্তাবিত বাস পরিষেবার তীব্র বিরোধিতা করল ভারত। শনিবার পাকিস্তানের লাহোর থেকে চিনের কাশঘার পর্যন্ত এক বাস পরিষেবা চালু হওয়ার কথা। এই বাসের যাত্রাপথ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে

পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তান-চিন বাস পরিষেবা, তীব্র বিরোধিতা দিল্লির

শেষ আপডেট: 1 November 2018 05:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো : পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তান-চিন প্রস্তাবিত বাস পরিষেবার তীব্র বিরোধিতা করল ভারত। শনিবার পাকিস্তানের লাহোর থেকে চিনের কাশঘার পর্যন্ত এক বাস পরিষেবা চালু হওয়ার কথা। এই বাসের যাত্রাপথ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে। আর এখানেই আপত্তি জানিয়েছে নয়া দিল্লি। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রাভিশ কুমার বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, " পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে যে বাস পরিষেবা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে যাবে, তার তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা।"

আরও পড়ুন এ তো রুমাল থেকে বেড়াল! জহরকোট হয়ে গেল ‘মোদী-ভেস্ট’

এই প্রজেক্টের নাম দেওয়া হয়েছে চিন পাকিস্তান ইকনমিক করিডর ( সিইপিসি )। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে এই সিইপিসি প্রজেক্ট পাক অধিকৃত কাশ্মীরের যে এলাকার উপর দিয়ে যাবে সেটা মূলত ভারতের অন্তর্গত। রাভিশ কুমার বলেন, " ১৯৬৩ সালে চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে যে সীমান্ত চুক্তি হয়েছিল, ভারত সরকার তাকে কোনওদিন বৈধ বলে মনে করেনি। আর তাই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে কোনও বাস পরিষেবা চালু করা হলে সেটা ভারতের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত লঙ্ঘন করে। এটা ভারত সরকার কখনও বরদাস্ত করবে না। " পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে কোনও সরাসরি যোগাযোগ নেই। চিনের সঙ্গে সরয়াসরি যোগাযোগ আছে ভারত ও আফগানিস্তানের। তাই পাক অধিকৃত কাশ্মীর ছাড়া পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে এই যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব নয় বলে খবর। পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য যে সিইপিসি প্রজেক্ট নেওয়া হয়েছে তা মূলত চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিংপিং-এর বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ ( বিআরআই ) এর মধ্যে পড়ে। ভারত এই বিআরআই প্রজেক্টে যোগদান করেনি। যুক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছিল, এই প্রজেক্টের মাধ্যমে অন্য দেশের সীমান্তে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটতে পারে। এই চুক্তি আসলে একটা ফাঁদ। চিন-পাকিস্তান বাস সার্ভিস ভারতের এই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করল।

The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন 


```