দ্য ওয়াল ব্যুরো: #মিটু অভিযোগে ফের উঠল কোরিওগ্রাফার গণেশ আচারিয়ার নাম। এক মহিলা কোরিওগ্রাফার অভিযোগ করেছেন যে কর্মক্ষেত্রে জোর করে তাঁকে অশ্লীল ভিডিও দেখাতেন গণেশ। মহারাষ্ট্রের মহিলা কমিশন এবং আম্বোলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বছর ৩৩-এর ওই মহিলা। নিজের অভিযোগে ওই মহিলা কোরিওগ্রাফার এও জানিয়েছেন যে শুধু অশ্লীল ভিডিও দেখানো নয়, তাঁর আয় থেকে একটা অংশ কমিশনও দাবি করেছিলেন গণেশ।
‘ভারতীয় ফিল্ম এবং টেলিভিশন কোরিওগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশন’(IFTCA)-এর সাধারণ সম্পাদক পদে বেশ কিছুদিন ধরেই রয়েছে গণেশ আচারিয়া। আর সমস্যার সূত্রপাত তখন থেকেই। ওই মহিলার দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার পর থেকেই নানা ভাবে তাঁকে হেনস্থা করেছেন গণেশ। এমনকি গণেশের নানা কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাঁর কাজ কেড়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। অভিযোগকারিণী কোরিওগ্রাফারের অভিযোগ, অন্যান্য কোরিওগ্রাফারদেরও গণেশ বারণ করে দিয়েছিলেন যাতে তাঁকে কাজ দেওয়া না হয়। পাশাপাশি তাঁর IFTCA-এর সদস্যপদও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন ওই কোরিওগ্রাফার।
এর আগেও হেনস্থার অভিযোগে নাম জড়িয়েছে এই কোরিওগ্রাফারের। বলিউডে #মিটু অভিযোগ প্রথম এনেছিলেন তনুশ্রী দত্ত। বহুদিন বিনোদন জগতের আড়ালে থাকার পর আচমকাই লাইমলাইটে চলে আসেন তনুশ্রী। যৌন হেনস্থার অভিযোগ তোলেন নানা পাটেকর, গণেশ আচারিয়া-সহ বলিউডের একাধিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে। সেসময় গণেশ আচারিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করেন তনুশ্রী দত্ত।
ক'দিন আগে বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খানও অভিযোগ এনেছিলেন গণেশ আচারিয়ার বিরুদ্ধে। সরোজের অভিযোগ ছিল সিনে ডান্সার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য নৃত্যশিল্পীদের ভাঙিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন গণেশ। নিজের ক্ষমতা এবং পদের বলে এই কোরিওগ্রাফারদের নানা রকমের প্রলোভন দেখাতেন গণেশ। জানুয়ারির ১৭ তারিখ সাংবাদিক সম্মেলন করে সরোজ খান বলেছিলেন, "এমন ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। গণেশ এবং ওঁর বাবা এই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ছিলেন। অথচ সেই সংগঠন ভাঙতেই উদ্যত হয়েছিলেন গণেশ। যদিও শেষ পর্যন্ত সবটা সামাল দেওয়া গিয়েছে। আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপও নিয়েছি।"