আজ বিজেপির বড় পরীক্ষা কর্ণাটকে, সরকার বাঁচাতে ১৫টি আসনের উপনির্বাচনে জিততেই হবে ৬টিতে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সদ্য হাত ছাড়া হয়েছে মহারাষ্ট্র। তার পর আজ কর্ণাটকে বড় পরীক্ষা বিজেপির। রাজ্যের ১৫টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। সকাল সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরুও হয়ে গিয়েছে। সরকার বাঁচাতে হলে বিজেপি তথা ইয়েদুরাপ্পাকে ৬টি আসনে জিততেই হবে
শেষ আপডেট: 5 December 2019 01:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সদ্য হাত ছাড়া হয়েছে মহারাষ্ট্র। তার পর আজ কর্ণাটকে বড় পরীক্ষা বিজেপির। রাজ্যের ১৫টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। সকাল সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরুও হয়ে গিয়েছে। সরকার বাঁচাতে হলে বিজেপি তথা ইয়েদুরাপ্পাকে ৬টি আসনে জিততেই হবে। নইলে বিরোধীরা অনাস্থা প্রস্তাব আনলে পতন ঘটতে পারে ইয়েদুরাপ্পা সরকারের।
কর্ণাটকে বিজেপি যেভাবে সরকার গঠন করেছিল, তার নৈতিকতা নিয়ে তখনই প্রশ্ন উঠেছিল। নির্বাচনে ১০৫টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। তুলনায় কংগ্রেস ও জনতা দল সরকার গঠনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে জোট সরকার গড়েছিল। সেই জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার পুত্র কুমারস্বামী। কিন্তু কংগ্রেস ও জনতা দল সেকুলারের ১৭ বিধায়ককে বিজেপি ভাঙিয়ে নেয়। ফলে রাতারাতি পড়ে গিয়েছিল কুমারস্বামী সরকার। কিন্তু ওই ১৭ জন বিধায়কের বিধানসভায় সদস্যপদ খারিজ করে দেন স্পিকার। সুপ্রিম কোর্টও স্পিকারের সিদ্ধান্তের পক্ষেই রায় দেয়। তার ফলে আজ উপনির্বাচন হচ্ছে।

তবে ১৭টি আসনের পরিবর্তে আজ উপনির্বাচন হচ্ছে ১৫টি আসনে। কারণ, বাকি দুটি আসনে উপনির্বাচন নিয়ে মামলা ঝুলে রয়েছে হাইকোর্টে। হিসাবমতো এর মধ্যে ৬টি আসনে জিততেই হবে বিজেপিকে।
কর্ণাটক বিধানসভায় ২২৪টি আসন রয়েছে। কিন্তু ১৭ জন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ হওয়ায় এখন বিধানসভার শক্তি হল ২০৭। বিজেপির পক্ষে ১০৬ জন বিধায়ক রয়েছে। কিন্তু ১৫টি আসনে উপনির্বাচনের বিধানসভার শক্তি দাঁড়াবে ২২২। ফলে তখন সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে গেলে বিজেপি-র সঙ্গে অন্তত ১১২ জন বিধায়কের সমর্থন জরুরি।
এই অবস্থায় বিজেপির পক্ষে আজকের লড়াই মোটেই সহজ নয়। যে ১৫টি আসনে ভোট হচ্ছে, তার মধ্যে ১২টি ছিল কংগ্রেসের দখলে। তিনটি আসন ছিল জনতা দল সেকুলারের। সন্দেহ নেই মহারাষ্ট্রে শিবসেনা-এনসিপির সঙ্গে মিলে কংগ্রেস সরকার গঠনের পর লাগোয়া কর্ণাটকে দলের নেতারা বেশ উজ্জীবিত। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইয়ে নেমে পড়েছেন তাঁরা। মূল লক্ষ্য হল, উপনির্বাচনে বিজেপিকে ৬ এর নীচে বেঁধে রাখা। কংগ্রেসের মতে, তাতেই বিজেপির নৈতিক পরাজয় হবে। এরপরেও ঘোড়া কেনাবেচা করতেই পারে শাসক দল, কিন্তু তাতে রাজ্য ও জাতীয়স্তরে আরও সমালোচনার মুখে পড়তে হতে পারে তাদের।