'বয়েজ লকার রুম'-এর অ্যাডমিন গ্রেফতার, দ্বাদশ শ্রেণির এই ছাত্র নয়ডার নামি স্কুলের পড়ুয়া, বলছে পুলিশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে গ্রেফতার ‘বয়েজ লকার রুম’-এর অ্যাডমিন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের বয়স ১৮-র বেশি। নয়ডার একটি স্কুলের এই পড়ুয়া দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। এবছরই বসেছিল বোর্ডের পরীক্ষাতেও। ইতিমধ্যেই দিল্লির নামি স্কুলের আরও ১৫ জন ছাত্রের ফো
শেষ আপডেট: 6 May 2020 12:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে গ্রেফতার ‘বয়েজ লকার রুম’-এর অ্যাডমিন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের বয়স ১৮-র বেশি। নয়ডার একটি স্কুলের এই পড়ুয়া দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। এবছরই বসেছিল বোর্ডের পরীক্ষাতেও। ইতিমধ্যেই দিল্লির নামি স্কুলের আরও ১৫ জন ছাত্রের ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।
ইনস্টাগ্রামের গ্রুপ ‘বয়েজ লকার রুম’-এর সঙ্গে যুক্ত ২৭ জনকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের মধ্যে অনেকেই নাবালক বলে জানা গিয়েছে। তবে অভিযুক্তদের অধিকাংশের কথায়, তারা এই গ্রুপের ব্যাপারে বিশেষ কিছু জানে না। অন্যান্য বন্ধুবান্ধব বা সিনিয়র দাদারাই তাদের এই গ্রুপে অ্যাড করে দিয়েছিল। এই ২৭ জনের মধ্যে ১৫ জনকে মঙ্গলবারই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দিল্লি পুলিশ।
গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এক গ্রুপের সঙ্গে জড়িত এক নাবালককে আটক করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য পেয়েই বুধবার এই গ্রুপের অ্যাডমিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রুপের আরও কয়েকজন সদস্যের ব্যাপারেও পুলিশকে ওই নাবালক খবর দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে মঙ্গলবার যে ক’জনকে জেরা করা হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই নাবালক।
মূলত ইনস্টাগ্রামে এই গ্রুপ নিয়ে হইচই শুরু হয় গত রবিবার। মেয়েদের ছবি পোস্ট করে সেখানে চলছিল অশ্লীল কথোপকথন। এমনকি ধর্ষণ করার পরিকল্পনাও হয়েছে সেখানে। নাবালিকা মেয়েরাও বাদ নেই এই তালিকা থেকে। ভাইরাল হয়ে যায় এই গ্রুপের কথোপকথনের স্ক্রিনশট। পুলিশ সূত্রে খবর, কলেজ পড়ুয়া এক তরুণী কোনওভাবে নিজের ছবি ওই গ্রুপে দেখতে পান। তারপর তিনিই এই গ্রুপের ব্যাপারটা ফাঁস করেন। ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশট দেখে আঁতকে ওঠেন দুঁদে পুলিশ কর্তারাও। গর্জে ওঠেন নেটিজেনরা। অবিলম্বে সবার গ্রেফতারির দাবি তোলেন তাঁরা। আইটি অ্যাক্টে মামলা রুজু করে পুলিশ। দায়ের হয় এফআইআরও।
এই ঘটনার দু’দিন পর বুধবার অবশেষ গ্রেফতার হয়েছে এই ‘বয়েজ লকা রুম’ গ্রুপের অ্যাডমিন। পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালক এবং প্রাপ্তবয়স্ক মিলিয়ে গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ৫০-এরও বেশি। তারা প্রত্যেকেই দক্ষিণ দিল্লি এবং নয়ডার নামি স্কুলের পড়ুয়া। এই গ্রুপের সঙ্গে আর কে বা কারা জড়িত তা জানতেই এখন অ্যাডমিন এবং বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।