ভোটের দু’দিন আগে বিজেপি-র ইস্তাহার প্রকাশ, মোদীর সুরেই মাও যোগ নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ শাহের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার যেখানে শেষ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার ছত্তীসগড়ে ভোট প্রচারে সেখান থেকেই শুরু করলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।
‘আরবান নকশাল’ তথা মাওবাদীদের সঙ্গে কংগ্রেসের যোগের অভিযোগ তুলেছিলেন মোদী। এ দিন শাহ
শেষ আপডেট: 10 November 2018 14:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার যেখানে শেষ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার ছত্তীসগড়ে ভোট প্রচারে সেখান থেকেই শুরু করলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।
‘আরবান নকশাল’ তথা মাওবাদীদের সঙ্গে কংগ্রেসের যোগের অভিযোগ তুলেছিলেন মোদী। এ দিন শাহ-ও ঠিক একই কায়দায় মাওবাদী নিয়ে তোপ দাগলেন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, “রমণ সিং-এর সরকারই ছত্তীসগড়কে মাওবাদী মুক্ত করতে চলেছে।” রায়পুরের জনসভা থেকে অমিত শাহ বলেন, “কংগ্রেস মুখে উন্নয়নের কথা বলছে। আর বাস্তবে মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া মাওবাদীদের সঙ্গে কাঁধে কাধ মিলিয়ে চলছে।”
প্রসঙ্গত মাস তিনেক আগে পুণে পুলিশ রাষ্ট্রবিরোধী কাজের অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল ভারভারা রাও, গৌতম নাভালকা-সহ পাঁচ বাম বুদ্ধিজীবী তথা সমাজকর্মীকে। সেই সময় থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাশ ট্যাগে আরবান নকশাল (শহুরে অতিবাম) ট্রেন্ডিং। গত কালও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আরবান নকশালদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন মোদী। বলেছিলেন, “এই আরবান নকশালরা কালো কাচের গাড়ি চেপে ঘুরে বেড়াইয়। নিজের ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা করতে বিদেশে পাঠায়। আর বিপ্লবের কথা বলে গরিব মানুষের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়। আর তাদেরকেই সমর্থন করছে কংগ্রেস।”
আরও পড়ুন: মোদীও ভ্রষ্ট, রমণও ভ্রষ্ট, ছত্তীসগড়ে ইন্দিরার কথা স্মরণ করালেন রাহুল
এ দিনের জনসভা থেকে ছত্তীসগড়ের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেন অমিত শাহ। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়ে দেন, ফের রমণ সিং-এর সরকার গঠিত হবে। সোমবার ছত্তীসগড়ের প্রথম দফার ভোট। তার ৪৮ ঘণ্টা আগে নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করায় অনেকেই গেরুয়া শিবিরের সাংগঠনিক দূর্বলতা দেখছেন।
এক কংগ্রেস মুখপাত্র বলেন, “বিজেপি-র সরকার চলছে। রমণ সিং-এর প্রশাসন মাওবাদীদের দমন করতে পারছে না। আর দোষ কংগ্রেসের?” তাঁর কথায়, “একের পর হিংসা ঘটাচ্ছে মাওবাদীরা। জওয়ান মরছে, সাংবাদিক মরছে, সাধারণ মানুষ মরছে। আর বিজেপি বলছে মাওবাদীদের খতম করে দিয়েছে তারা!”
প্রথম দফায় যে ১৮টি আসনে ভোট হবে ছত্তীসগড়ে তার অধিকাংশটাই মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা। বেশ কিছু জায়গায় মাওবাদীরা ভোট বয়কটের ডাকও দিয়েছে। পাল্টা জনসাধারণকে বুথমুখী করতে প্রচারে নেমেছে নির্বাচন কমিশনও। ভোটের সময় নাশকতা ঠেকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে ১৮টি কেন্দ্রেই।
The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন