ষোলো বছর পর পুলিশের জালে 'অক্ষরধাম' হামলার মূল চক্রী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময়টা ২০০২ সাল। আচমকাই জঙ্গি হামলা হয়েছিল গুজরাটের গান্ধীনগরে। জঙ্গিদের নিশানায় ছিল অক্ষরধাম মন্দির। দুষ্কৃতীদের বুলেট ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল ৩০টি তাজা প্রাণ। আহত হয়েছিলেন ৮০জনের বেশি।
এই জঙ্গি হানার অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ ফার
শেষ আপডেট: 26 November 2018 16:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময়টা ২০০২ সাল। আচমকাই জঙ্গি হামলা হয়েছিল গুজরাটের গান্ধীনগরে। জঙ্গিদের নিশানায় ছিল অক্ষরধাম মন্দির। দুষ্কৃতীদের বুলেট ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল ৩০টি তাজা প্রাণ। আহত হয়েছিলেন ৮০জনের বেশি।
এই জঙ্গি হানার অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ ফারুখ শেখ নামের ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার আমেদাবাদ থেকে ফারুককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার অফ পুলিশ ভগীরথ সিং গোহিল জানিয়েছেন, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধ থেকে সোমবারই আমেদাবাদ এসে পৌঁছেছিল ফারুখ। পুলিশ জানিয়েছে, ২০০২ সালে অক্ষরধাম হামলার পরেই রিয়াধে পালিয়ে যায় ফারুখ। তার আগে গুজরাটের জুহাপুরা ছিল মহম্মদ ফারুখ শেখের আস্তানা। অক্ষরধাম হামলার জন্য টাকা-পয়াসার জোগাড়ও করেছিল এই ফারুখই। এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ।
২০০২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর অক্ষরধাম মন্দিরের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। তদন্তে জানা গিয়েছিল পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার হাত ছিল এই হামলার পিছনে। লস্করের দুই জঙ্গিই সেদিন হামলা চালিয়েছিল গান্ধীনগরের ওই মন্দিরে। দু’দিনের মধ্যেই জঙ্গিদের খতম করেছিল এনএসজি কম্যান্ডো বাহিনী।
এই হামলার মূল পাণ্ডা আব্দুল রশিদ আজমেরি ২০১৭ সালেই ধরা পড়েছিল আমেদাবাদ বিমানবন্দরে। পুলিশ জানিয়েছে, সেও রিয়াধ থেকেই এসেছিল এ দেশে। আব্দুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অক্ষরধাম মন্দিরে হামলার পিছনে সেই ছিল মূল মাথা। গোটা ঘটনার ছক কষে সে। এবং লস্কর-ই-তৈবাকে পুরো প্ল্যান সফল করতে সাহায্যও করে।
এই হামলায় অভিযুক্ত হিসেবে এর আগে গ্রেফতার হয়েছিল ছয়জন। তাদের মধ্যে তিনজনকে ফাঁসির সাজাও শোনানো হয়ে গিয়েছিল তবে ২০১৪ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট এই ছয়জনকেই বেকসুর খালাস করে দেয়।