দ্য ওয়াল ব্যুরো: পঞ্জাবের তিন জেলায় বিষমদ খেয়ে মৃত অন্তত ৩২ জন। শুক্রবারই এই ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। এখনও পর্যন্ত ৮ জনকে এই বিষমদ কাণ্ডে গ্রেফতার করেছে পঞ্জাব পুলিশ। প্রসঙ্গত, গতকাল অন্ধ্রপ্রদেশেও মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। জানা গিয়েছে, লকডাউনে মদ না পাওয়ায় স্যানিটাইজার খেয়েছিলেন এই ৯ জন।
গত বুধবার রাত থেকে পঞ্জাবে বিষমদ পান করার পর থেকে সমস্যা শুরু হয়েছে। অমৃতসর, বাটালা এবং তরন তারন----এই তিন জেলায় মোট ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত পর্যন্ত অমৃতসরে ১১ জন, বাটালায় ৮ জন এবং তরন তারন জেলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি দিনকর গুপ্ত জানিয়েছেন, গত ২৯ জুলাই অর্থাৎ বুধবার রাতে প্রথম বিষমদ খেয়ে মৃত্যুর খবর আসে অমৃতসর জেলা থেকে। সেখানকার মুচ্ছল এবং তাংরা গ্রামে মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
গত তিনদিনে পঞ্জাবের তিন জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বিষমদের জেরে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার টুইট করে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেছিলেন, “অমৃতসর, গুরুদাসপুর ও তরন তারন জেলায় বিষমদ পান করে কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে। আমি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। জলন্ধর ডিভিশনের কমিশনার তদন্ত করবেন। তাঁকে সাহায্য করবেন সংশ্লিষ্ট এসএসপি ও অফিসাররা।”
অন্যদিকে বেআইনি মদের ব্যবসায় যুক্ত সন্দেহে ইতিমধ্যেই পঞ্জাব পুলিশ বলবিন্দর কউর নামে এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই বলবিন্দর অমৃতসরের মুচ্ছল গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামে ইতিমধ্যেই বিষমদের জেরে অনেকে মারা গিয়েছেন। পঞ্জাব পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা সেই গ্রামে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে গ্রামবাসীদেরও।