দ্য ওয়াল ব্যুরো: মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে অনেক বাঘাবাঘা মন্ত্রীকে বাদ পড়তে হয়েছে। বহু নতুন মুখকে বড় বড় মন্ত্রক দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রেল ও তথ্যপ্রযুক্তি। এই দুই মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশা থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভার সাংসদ অশ্বিনী বৈষ্ণকে।
কে এই অশ্বিনী বৈষ্ণ?
১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস তিনি। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নির্দিষ্ট একটি কাজ করেছিলেন তিনি। পরিকাঠামো উন্নয়নে যে পিপিপি (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেল অনুসরণ করা হয় তার ব্লুপ্রিন্ট অশ্বিনীর করা।
নতুন রেল ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতাও চমকে দেওয়ার মতো। পেনিসিলভেনিয়ার ওয়ার্টন স্কুল থেকে এমবিএ করেছেন অশ্বিনী। তার আগে কানপুর আইআইটি থেকে এম টেক করেছেন।
সরকারি চাকরি ছেড়ে গ্লোবাল কর্পোরেটের বড় বড় পদে আসীন ছিলেন অশ্বিনী বৈষ্ণ। জেনারেল ইলেকট্রিক্স, সিমেন্সের মতো সংস্থার শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, রেলকে ব্যবসা বাণিজ্যমুখী করে তুলত গত বছর রেল বোর্ডের আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান এখন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার। নন রেলওয়ে পেশাদার লোকজনকে এখন রেল বোর্ডের সদস্য করা হচ্ছে। রেল পরিচালনায় রাজনীতি পাশে রেখে পেশাদারিত্ব আনতেই এই সিদ্ধান্ত। সেই মত সিদ্ধান্ত হয়েছে নতুন প্রকল্প আর নয়, ঘোষিত প্রকল্পের কাজ আগে শেষ করা হবে। হতে পারে সেকারণেই পীযূষ গোয়েলের হাত থেকে রেল নিয়ে পেশাদার অশ্বিনীকে দেওয়া হল।
গতকাল যে হেভিওয়েট মন্ত্রীরা ইস্তফা দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রবিশঙ্কর প্রসাদ অন্যতম। তাঁর হাতে ছিল আইন ও তথ্যপ্রযুক্তি। সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত আইন, টুইটারের সঙ্গে সংঘাত ইত্যাদি কারণেই তাঁকে সরতে হয়েছে বলে দাবি অনেকের। রবিশঙ্করের হাতে থাকা তথ্যপ্রযুক্তিও দেওয়া হয়েছে অশ্বিনীকে।