
শেষ আপডেট: 28 June 2020 12:38
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি, চিনাবাহিনী গালওয়ান উপত্যকা বরাবর ভারতীয় ভূখণ্ডের ১৩৭ মিটার পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে। এবং উপগ্রহ চিত্রে যে ছাউনি দেখা যাচ্ছে সেগুলি ওই এলাকারই। উপগ্রহ চিত্রে যে যে জায়গায় লাল ফৌজের অনুপ্রবেশ চিহ্নিত করেছে, সেখানে গত এক দশক ধরে টহল দিচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, কী করে গালওয়ান নদী উপত্যকা এলাকায় এই নির্মাণ সম্ভব হল?
কালো ত্রিপল দেওয়া যে ছাউনিগুলির ছবি সামনে এসেছিল সেই সেক্টরে ৯ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ১৬টি শিবির চিহ্নিত করেছে উপগ্রহ চিত্র। ওই ছবি সামনে আসার পর অনেকেই বলছেন, সামরিক স্তরের আলোচনায় চিনের তরফে বাহিনী সরানোর কোথা বলা হলেও ওগুলো আসলে লোক দেখানো। উপগ্রহ চিত্রে এও ধরা পড়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে সামরিক সজ্জার বহর বাড়াচ্ছে বেজিং।
এক প্রাক্তন সেনা কর্তার কথায়, ভারতের উপর সামরিক আঘাত হানতেই এত কিছু করছে চিন। গত ২২ জুন লেফটান্যান্ট পদমর্যাদার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। ৬ জুনের পর সেটাই ছিল প্রথম লেফটেন্যান্ট পর্যায়ের বৈঠক। তাতে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয় বলেও সেনাবাহিনী বিবৃতি দিয়েছিল। কিন্তু তারপর যে একের পর এক উপগ্রহ চিত্র সামনে আসছে তা দেখে অনেকেই বলছেন, চিনের কথায় বিশ্বাস করলে ঠকতে হবে।
এদিনও মন কি বাত অনুষ্ঠানে বেজিংয়ের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলেছেন, "ভারত যেমন বন্ধুত্ব করতে জানে, তেমন শত্রুদের জবাব দিতে জানে। আমাদের সাহসী জওয়ানরা নিশ্চিত করেছে, মাতৃভূমিকে আক্রমণে কাউকে রেয়াত করবে না।"