শেষ আপডেট: 11 October 2019 14:44
থাক্কালি রসম, প্রতীকি ছবি[/caption]
ভাববেন না স্রেফ এই টুকুই দেওয়া হয়েছে চিনা রাষ্ট্রপ্রধান জিনপিংকে। তাঁদের খাবারের তালিকায় থাকে খান পঞ্চাশেক আইটেম। কিন্তু সেই মেনুতে চিনা খাবার আছে কিনা তা বলা মুশকিল।
শোনা যায়, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদী যেখানেই যেতেন সেখানেই নিয়ে যেতেন নিজের খাস পাচককে। হিন্দিতে কথা বলবেন বলে সঙ্গে রাখতেন দোভাষী। এখন দোভাষী দেখা যায় না, একশোর উপরে দেশ ঘোরার পর হয়তো মোদী নিজেও গ্লোবাল হয়ে গেছেন। কিন্তু জিনপিংকে তিনি এমন খাবার দিলেন কেন? হতে পারে, হিউয়েন সাং যে খাবার এখানে খেয়েছিলেন, ইতিহাস বলার সঙ্গে সঙ্গে সেই স্বাদটাও জিনপিংকে দিতে চেয়েছেন মোদী।
[caption id="attachment_149488" align="aligncenter" width="600"]
আরাচাভিট্টা সম্বর, প্রতীকি ছবি[/caption]
তাই তালিকায় রাখা হয়েছে চেট্টিনাড় করাইকুড়ি – নানা স্বাদের খাবার। চেট্টিনাড় ও করাইকুড়ি হল তামিলনাড়ুর দুটো জায়গা, তাদের খাবার বানানোর নিজস্ব পদ্ধতি আছে। যেমন ইউরোপের খাবার মানে ইতালিয়ান ডিশ, বিলেতের ডিশ তেমনই চেট্টিনাড়, করাইকুড়ি হল আলাদা গোত্রের স্বাদের খাবার। চেট্টিনাড়ের খাবার তৈরিতে প্রাধান্য পায় নারকেল তেল। তৈরির ক্ষেত্রেও মেনে চলা হয় চিরাচরিত পদ্ধতি।
[caption id="attachment_149489" align="aligncenter" width="660"]
চেট্টিনাড় থাআলি, প্রতীকি ছবি[/caption]
একটা কথা না বললেই নয়, বাসমতী নয় এমন চালের বাণিজ্য নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হতে পারে, আলোচনা হতে পারে সয়াবিন–জাতীয় খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য নিয়েও।