দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে পড়ে ভারতীয় বায়ুসেনা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটে থাকা জইশ-ই-মহম্মদের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় বায়ুসেনা। এরপরেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছিলেন যথাসময়ে যোগ্য জবাব দেওয়া হবে।
এরপরেই নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারতীয় সেনাকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনীও। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী গুলির লড়াইয়ে জখম হয়েছেন আখনুর সেক্টরে থাকা ৫ জন জওয়ান।
মঙ্গলবার ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত্যাঘাতের পরেই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে পাক সেনাবাহিনী। এ দিন বিকেল থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর জম্মু ও কাশ্মীরের প্রায় ৫০টি এলাকায় শুরু হয়ে গুলির লড়াই। মর্টার শেল এবং প্রচুর অস্ত্র নিয়ে আখনুর, নৌশেরা ও কৃষ্ণা ঘাটি সেক্টরে গুলি চালাতে শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ভারতীয় সেনার উপর হামলা করে তারা। সেনা সূত্রে খবর, অন্য দিনের তুলনায় এ দিন পাকিস্তানের তরফে গুলির চালানোর তীব্রতা ছিল অনেক বেশি। তবে সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। এ দিন সকালের দিকেও পুঞ্চ, মেন্ধার ও নৌশেরা সেক্টরে ভারতীয় সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল পাক রেঞ্জার্স। তখনও এই গুলির জবাব দিয়েছিল ভারতীয় সেনা।
প্রসঙ্গত, গত আট দিন ধরে নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করে রাজৌরি ও পুঞ্চ সেক্টরে গুলি চালাচ্ছে পাক রেঞ্জার্স। ২০০৩ সাল থেকে গত ১৫ বছর ধরে সীমান্তে প্রায় ৩ হাজার বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। তার মধ্যে গত বছর সবথেকে বেশিবার এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হয়েছিল বলে সেনা সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন-
https://thewall.in/news-pakistan-warns-of-surprise-calls-nuke-authority-meeting/