দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সকালেই অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ডের গবেষকদের তৈরি কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন টিকাকে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার। তারপরেই বিভিন্ন মহল থেকে টিকা কতটা নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছিল। রবিবার সন্ধ্যায় তার জবাব দিলেন ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া ভিজি সোমানি। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানিয়েছেন, দুটি টিকাই নিরাপদ। মানুষের সুরক্ষা নিয়ে ন্যূনতম সংশয় নেই।
অক্সফোর্ডের তৈরি টিকা ‘কোভিশিল্ড’ ভারতে উৎপাদন করছে পুণের সিরাম ইনস্টিটিউট। অন্য দিকে হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের ‘কোভ্যাক্সিন’ সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে। এই দুই টিকা জরুরি ভিত্তিতে সাধারণের উপর প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ডিসিজিআই। শনিবার থেকে ট্রায়াল রানও শুরু হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
কংগ্রেস সাংসদ তথা শশী তারুর টুইট করে টিকার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন কোভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ হওয়ার আগে এই ঘোষণা এবং অনুমোদন বিপদ বাড়াবে। আরও অন্যান্য মহল থেকেও প্রশ্ন তোলা হচ্ছিল।
তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক করে সোমানি বলেন, টিকার নিরাপত্তা নিয়ে ন্যূনতম সংশয় থাকলে অনুমোদন দেওয়া হতো না। সব দিক বিবেচনা করেই এই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
কেউ কেউ এও বলছিলেন, টিকা প্রয়োগের পর অনেকের নানান উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তারও জবাব দিয়েছে ডিসিজিআই। বলা হয়েছে, যে কোনও টিকা নেওয়ার পরেই জ্বর আসা বা এলার্জি হয়। এর মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু নেই।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে বলেছেন, প্র্ত্যেক ভারতীয়র কাছে এটা অত্যন্ত গর্বের যে, ভারতেই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে দুটি ভ্যাকসিনকে জরুরি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, সেই দুটিই ভারতে তৈরি হয়েছে। এটা প্রতিটি ভারতীয়র কাছে খুবই গর্বের বিষয়”। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে আমাদের বৈজ্ঞানিক সমাজ কতটা আগ্রহী ও উৎসাহী তা এতেই প্রমাণিত।”