দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২১-এর ২৬ জানুয়ারি লালকেল্লার কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। কিন্তু যে ভাবে ব্রিটেন জুড়ে নতুন ধরনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে তাতে কি তিনি আসতে পারবেন ভারতে?
ব্রিটিশ মেডিক্যাল কাউন্সিলের প্রধান ডাক্তার চাঁদ নাগপাল বলেছেন, এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে বরিস জনসনের আসার কোনও সম্ভাবনা নেই। ব্রিটিশ সরকার হয়তো সেই ঝুঁকি নেবে না।
পর্যবেক্ষকদের মতে, একে তো বরিস জনসন নিজে দুবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার মধ্যে একজন প্রধানমন্ত্রী ভারতে আসা মানে তাঁর সঙ্গে অন্তত কয়েক ডজন অফিসার আসবেন। প্রোটোকল অনুযায়ী তাঁদের আসতে হবে। তা ছাড়া বড় সংখ্যায় নিরাপত্তাকর্মী থাকবেন। সেটা ভারতের ক্ষেত্রেও ঝুঁকির।
ব্রিটেনে করোনার নতুন প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ার পরে চিন্তা বেড়েছে বাকি দেশগুলিরও। ব্রিটেনের সঙ্গে বিমান ও অন্যান্য পরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে ৩০টিরও বেশি দেশ। আজ বুধবার থেকে ব্রিটেনের সঙ্গে সমস্ত বিমান যোগাযোগ বন্ধ করতে চলেছে ভারতও। আগামী ৩১ ডিসেম্বর অবধি এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। তবে মঙ্গলবার অবধি ব্রিটেন থেকে বিমান চলাচল করছে দেশে। যার মধ্যে গত রবিবারের ফ্লাইটে কলকাতার ওই দুই যাত্রীর শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় চিন্তা বেড়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের। তবে সংক্রামিতদের শরীরে ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন রয়েছে কিনা সেটা এখনও জানা যায়নি।
সূত্রের খবর, ২২২ জন যাত্রী ছিলেন ওই বিমানে। সকলেরই আরটি-পিসিআর টেস্ট করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত বাকিদের সাতদিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। সংক্রামিত দু’জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁদের পরীক্ষা করা হচ্ছে।
ব্রিটেন ফেরত বিমানে করোনা ধরা পড়েছে কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর এক যাত্রীর শরীরেও। ব্রিটেন থেকে দিল্লি হয়ে চেন্নাই যাচ্ছিল বিমানটি। তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্যসচিব জে রাধাকৃষ্ণাণ বলেছেন, বিমানের সমস্ত যাত্রীর কোভিড টেস্ট করানো হচ্ছে। যাত্রীর শরীর থেকে নেওয়া নমুনা পাঠানো হয়েছে পুণের এনআইভিতে।