দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৭ অক্টোবর বিহারে প্রথম দফার ভোট। তার আগে কোভিড পরিস্থিতির মধ্যেই জোর কদমে প্রচার শুরু করেছে সব রাজনৈতিক দল। বিজেপির হয়ে প্রচারে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই।
বুধবার একটি সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বিহারে যদি বিরোধীরা জেতে তাহলে এই রাজ্য হয়ে উঠবে জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য।" তিনি আরও বলেন, "আপনারা কি চান, জঙ্গিরা কাশ্মীর থেকে বিহারে এসে ডেরা বাঁধুক?"
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এ হেন মন্তব্য নিয়ে তীব্র তোপ দেগেছে কংগ্রেস ও আরজেডি। বিহারের বিরোধী দল আরজেডির তরফে বলা হয়েছে, বিজেপি যখন কোনও কথা বলতে পারে না, তখন পাকিস্তান, জঙ্গি এসব আওড়াতে শুরু করে। আসলে ওদের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিল্প, অর্থনীতি, নতুন প্রকল্প এসব নিয়ে কথা বলার মুখ নেই।
এক কংগ্রেস নেতা বলেন, মনে আছে ২০১৫ সালের ভোটে অমিত শাহ কী বলেছিলেন? সেবার বলেছিলেন, বিজেপি যদি বিহারে না জেতে তাহলে পাকিস্তানে পটকা ফাটবে। উৎসব হবে।
গত ভোটে ঐতিহাসিক জোট হয়েছিল বিহারে। বিজেপিকে রুখতে একজোট হয়েছিলেন লালুপ্রসাদ যাদব এবং নীতীশ কুমার। সেই জোট জেতে এবং মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ।
পরে অবশ্য সেই গাঁটবন্ধন ভেঙে যায়। ইস্তফা দেন নীতীশ কুমার। তবে অকাল ভোট হয়নি। কারণ নীতীশের জেডিইউকে সমর্থন করে দেয় বিজেপি। এনডিএ সরকার হয় বিহারে।
আরজেডি, কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, এবার ভোটে বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে জবাব চাইবে মানুষ। আগের বার বিহারের মানুষের রায় ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। তাকে অগ্রাহ্য করে সেই বিজেপির সঙ্গেই ভিড়েছিলেন নীতীশ কুমার।
কোভিডের জন্য বহু ভোট স্থগিত হয়ে গেছে। বাংলাতেই পুরসভা ও কর্পোরেশন ভোট হয়নি। কিন্তু বিহার ভোট হচ্ছে নির্ধারিত সময়ে। অনেকের মতে, পরিযায়ী শ্রমিকদের ইস্যুও বিহার ভোটে অন্যতম ফ্যাক্টর হতে চলেছে।