ডিএনএস বিভ্রাট? টেকনিক্যাল জট? কেন এত ঘণ্টা বন্ধ ছিল ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-ইনস্টা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা থমকে গিয়েছিল ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-ইনস্টাগ্রাম (Facebook)। কেন এত বড় বিপর্যয় ঘটল তা নিয়ে তুমুল চর্চা চলছে। টেকনিক্যাল সমস্যা, প্রযুক্তিগত বিভ্রাট, ঠিক কী কারণে একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর
শেষ আপডেট: 5 October 2021 07:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা থমকে গিয়েছিল ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-ইনস্টাগ্রাম (Facebook)। কেন এত বড় বিপর্যয় ঘটল তা নিয়ে তুমুল চর্চা চলছে। টেকনিক্যাল সমস্যা, প্রযুক্তিগত বিভ্রাট, ঠিক কী কারণে একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি?
ফেসবুকের চিফ টেকনোলজি অফিসার গ্রাহাম কামিং জানাচ্ছেন, ডোমেন নেম সিস্টেম বা ডিএনএসের ত্রুটির কারণেই প্রাথমিকভাবে ইন্টারনেট থেকে এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি উবে গিয়েছিল। ডিএনএস হল এমন এক প্রযুক্তি যা ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটগুলিকে নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেসে শণাক্ত করে। ঠিক মোবাইলের ফোনবুকে যেমন আমরা বিভিন্ন নম্বর নাম দিয়ে এন্ট্রি করে রাখি, ডিএনএস সিস্টেম অনেকটাই তাই।
ডিএনএস রেজোলিউশনের প্রক্রিয়ায একটি হোস্টনেম থাকে যা কোনও সাইটের আইপি অ্যাড্রেস তৈরি করে। যদি আমরা ইউআরএলে ফেসবুক টাইপ করি (Facebook.com) তাহলে ডিএনএস তাকে আইপি অ্যাড্রেসে বদলে দেবে, কারণ এই ঠিকানা কম্পিউটার চিনতে পারবে। এবার যদি ডিএনএসে গণ্ডগোল হয়, তাহলে আইপি অ্যাড্রেস চিনতেই পারবেই না ইন্টারনেট। ফলে সেই সাইট বা প্রোফাইল খুঁজেই পাওয়া যাবে না।
তাছাড়াও ফেসবুক বিভ্রাটের জন্য বিজিপি আপডেটকেও দায়ী করা হচ্ছে। বিজিপি হল বর্ডার গেটওয়ে প্রোটোকল। ডিএনএস যেমন ইন্টারনেটের ফোনবুকের মতো, নাম-ধাম চিনে রাখে, বিজিপি হল নেভিগেশন সিস্টেম। অনেকটা ডাক-পিওনের মতো কাজ করে। ইন্টারনেটের কোথায় কত দ্রুত তথ্য বা ডেটা পৌঁছে দিতে হবে তা ঠিক করে বিজিপি। অর্থাৎ এর কাজ হল তথ্য-চালানের। ফেসবুক জানিয়েছে, সোমবার এই বিজিপি রুটে কিছু বদল করা হয়েছিল, যে কারণেই এতবড় বিভ্রাট হয়। যেহেতু রুট বদল হয়ে যায়, তাই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি ইন্টারনেট থেকে কিছুসময়ের জন্য ভ্যানিশ হয়ে যায়, এদের হ্যান্ডলারগুলো আর কাজ করেনি। ডেটা ট্রান্সফারও সঠিকভাবে হতে পারেনি। তবে এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা গেছে বলেই জানিয়েছে ফেসবুক।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'