দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতে ৫ চিনা সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করছে বেজিং। চিন প্রশাসনের সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের সাংবাদিক টুইট করে তা জানিয়েছেন।
https://twitter.com/WenwenWang1127/status/1272807264911372288?s=08
শুরুতে অবশ্য হতাহতের কথা স্বীকার করেনি বেজিং। কিন্তু পরে শি চিনফিং প্রশাসন কৌশল বদলে দাবি করতে শুরু করেছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারতীয় সেনা তাদের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিল।
বেজিং প্রশাসনের সেই টুইটের পরই গ্লোবাল টাইমসের সিনিয়ার জার্নালিস্ট ওয়াং ওয়েনওয়েন টুইট করে বলেন, ভারতের সঙ্গে সংঘাতে পিপলস লিবারেশন আর্মির পাঁচ সৈনিক মারা গিয়েছেন বলে খবর। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।
https://twitter.com/HuXijin_GT/status/1272818023225626624?s=08
পরে গ্লোবাল টাইমের প্রধান সম্পাদক হু শিজিন টুইট করে বলেছেন, “লাদাখে ভারতীয় সেনার সঙ্গে হাতাহাতিতে চিনা সেনারও কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। আমি ভারতের উদ্দেশে বলতে চাই, এত উদ্ধত হয়ো না, চিনের সংযমকে দুর্বলতা ভেবো না।”
লাদাখের সংঘাতে ভারতের এক কমান্ডিং অফিসার তথা কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার এবং দুই সেনা জওয়ানের যে মৃত্যু হয়েছে তা নয়াদিল্লি ইতিমধ্যে স্বীকার করেছে। গোড়ায় ভারতীয় সেনবাহিনী তাদের বিবৃতিতে অবশ্য জানায়নি যে চিনা সেনারও মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু পরে বিবৃতিতে সংশোধন করে জানিয়েছে যে হতাহত হয়েছে দুই বাহিনীতেই।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, দু’পক্ষের মধ্যে এই যে হতাহত হয়েছেন তাতে কোনও গুলি সম্ভবত চলেনি। লাঠিসোটা, পাথর ইত্যাদি দিয়েই রীতিমতো মারামারি হয়েছে।
লাদাখে উত্তেজনা কমানোর ব্যাপারে গত দু’সপ্তাহ ধরে বেজিং-নয়াদিল্লি বিবৃতি দিচ্ছে। দু’পক্ষের মেজর জেনারেল স্তরে বৈঠকও শুরু হয়েছে। যা বর্তমানে ধারাবাহিক ভাবে চলছে। কিন্তু তার মধ্যেই তুমুল সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয় গতকাল। কূটনৈতিক সূত্রের মতে, উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়াস শুরু হয়েছে। তা কতদূর ফলপ্রসূ হয় এখন সেটাই দেখার।