দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুন্দরবন ছাড়িয়ে যে বাংলাদেশের দিকে যাবে বুলবুল সে কথা হাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল। স্বাভাবিক ভাবে বাংলাদেশের প্রশাসনও তৎপর ছিল। বিভিন্ন এলাকার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ত্রাণ শিবিরে। পটুয়াখালির কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ এলাকার এরকই এক ত্রাণ শিবিরে জন্ম নিল শিশুকন্যা। বাবা-মা আদর করে নাম রাখলেন বুলবুলি। ঝড়ের আতঙ্কের মাঝেও নবজাতককে নিয়ে উৎসবে মেতে উঠল ত্রাণ শিবির।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আবাসনের বাসিন্দা হুমায়রা বেগম। আবুল কালাম নামে এক যুবকের সঙ্গে বছর কয়েক আগে তাঁর বিয়ে হয়। সন্তানসম্ভাবা ছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থা ভাল ছিল না কয়েকদিন ধরেই। কিন্তু তার মধ্যেই ঘর ছেড়ে ত্রাণ শিবিরে ঠাঁই নিতে হয়েছিল। আতঙ্ক ছিল, যদি ওই শিবিরেই প্রসবযন্ত্রণা ওঠে! আর হলও তাই। প্রসব যন্ত্রণা উঠতেই তড়িঘড়ি তাঁর চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়। হুমায়রার স্বামী আবুল কালাম বলেন, “আমার কন্যাসন্তান পৃথিবীতে এসেছে। এটা আমাদের প্রথম সন্তান। আমরা খুব খুশি।” জানা গিয়েছে, মা এবং বুলবুলি দু’জনেই ভাল আছে।
ঝড়ের মধ্যে ত্রাণ শিবিরে প্রসবের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও আয়লার সময়ে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় এমন ঘটনা ঘটেছিল। সেই মেয়েরও নাম রাখা হয়েছিল আয়লা। ফণীর সময়েও জানা গয়েছিল ওড়িশার এক ত্রাণ শিবিরে জন্ম নেওয়া সদ্যোজাতর নাম দেওয়া হয়েছিল ফণী। এবার বুলবুলি।
ছবি- সোশ্যাল মিডিয়া