
শেষ আপডেট: 21 June 2020 09:52
রাজনাথের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান তথা চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত, সেনা প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে, নৌবাহিনীর প্রধান করমবীর সিং, এবং বায়ুসেনা প্রধান মার্শাল আরকেএস ভাদাউরিয়া।
সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের রাজনাথ বলেছেন, সীমান্তের জমি এবং আকাশ সর্বত্রই কড়া নজর রাখতে হবে। চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
লাদাখ সংঘাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কয়েকদিন আগে বেজিংয়ের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, ভারত শান্তি চায়। কিন্তু কেউ যদি মনে করে যে উস্কানি দেবে তাহলে ভারত তার উপযুক্ত জবাব দিতে জানে। অনেকের মতে, সেই মেজাজকে সেনাবাহিনীর মধ্যে তরান্বিত করতেই সীমান্তে দেশ রক্ষার সৈনিকদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।
সীমান্তে যে ভারত তার পাল্টা সামরিক প্রস্তুতি শুরু করেছে তা গতকাল শনিবারই টের পাওয়া গিয়েছে। চিনের দিকে যুদ্ধবিমান ওড়ার পর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের আকাশেও বায়ুসেনা বিমানের মহড়া দিয়েছে।
গত ছ'সপ্তাহ ধরে তীব্র উত্তেজনা চলছে লাদাখে। তার মধ্যেই দুই সেনাবাহিনীর কম্যান্ড স্তরে বৈঠক চলছিল। চেষ্টা চলছিল উত্তেজনা প্রশমনের। তার মধ্যেই গতি সোমবার বিকেল থেকে তুমুল সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ভারত এবং চিনের সেনারা। প্রথমে জানা যায় ভারতের এক কর্নেল ও দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। পরে জানা যায় মোট ২০ জন ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছেন চিনা হামলায়।
চিনের তরফেও ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করা হয়। তবে বেজিং স্পষ্ট করে পরিসংখ্যান দেয়নি। যদিও ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, ৪৩ জন চিনা সেনা হতাহত হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ হল ১৯৭৫ সালের পর এই প্রথম চিনা হামলায় ভারতীয় জওয়ানদের মৃত্যু হয়েছে।