
শেষ আপডেট: 4 January 2024 16:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: প্রসূতির মৃত্যুর পরে ভয়ে এলাকা ছেড়ে বেপাত্তা হয়ে গেলেন ডাক্তারবাবু! মৃতের আত্মীয়দের অভিযোগ, ভুল পদ্ধতিতে প্রসব করাতে গিয়ে প্রসূতির শিরা কেটে দেন চিকিৎসক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকের শাস্তি চেয়ে কুলটির নিয়ামতপুরে ইস্কো বাইপাস রোডের চৌমাথা মোড়ে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ দেখালেন প্রসূতির আত্মীয়রা।
বুধবার সন্ধেবেলায় নিয়ামাতপুরের বাসিন্দা মুসকান মণ্ডলের প্রসববেদনা ওঠে। তাই বাড়ির লোকজন সময় নষ্ট না করে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে মুসকানকে ভর্তি করান। সেখানেই ওই দিন রাত ১১ টার সময় এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন মুসকান। কিন্তু প্রসবের পরেই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নার্সিংহোমের চিকিৎসক লিয়াকৎ আলি প্রসূতিকে নিজের গাড়িতে করে রানিগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পথেই ওই প্রসূতির মৃত্যু হয়। মাঝরাস্তা থেকে দেহ ফিরিয়ে আনেন মৃতের আত্মীয়রা। সঙ্গে সদ্যোজাত ওই কন্যাসন্তানও ছিল। এই সময় সুযোগ বুঝে এলাকা ছেড়ে বেপাত্তা হয়ে যান ওই চিকিৎসক।
প্রসূতির আত্মীয়দের দাবি, ডাক্তারবাবুর ভুল চিকিৎসার জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। ওই চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসূতির মায়ের অভিযোগ, প্রসব যন্ত্রণা হওয়ার সময় দুই নার্স মেয়েকে লেবার রুমে নিয়ে যায়। সেখানে কন্যাসন্তানের জন্ম দেয় মেয়ে। কিন্তু তখনই ওই চিকিৎসক ভুলবশত মেয়ের শিরা কেটে দেয়। তার ফলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে।
বৃহস্পতিবার নিয়ামাতপুরের ইস্কো বাইপাসে পথ অবরোধ করে প্রসূতির আত্মীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠিয়ে নেন মৃতের পরিবার।