দ্য ওয়াল ব্যুরো: মোটর সাইকেল দুর্ঘটনা? নাকি গোহত্যার গুজব? উত্তরপ্রদেশের হাপুরে ঠিক কী ঘটেছিল?
ওই ঘটনার নতুন এক ভিডিও দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, গোহত্যার সন্দেহে জনতা মারধর করছে দুই ব্যক্তিকে। তাঁদের জোর করে বলতে চেষ্টা করছে, আমরা গোহত্যা করেছি।
এর আগে অপর একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা গিয়েছিল, জনতা ৪৫ বছর বয়সী কাসিম ও ৬৫ বছর বয়সী সামিউদ্দিনকে মারধর করছে। কিন্তু কেন মারছে সেকথা ওই ভিডিও দেখে বোঝা যায়নি। কিন্তু দ্বিতীয় ভিডিওতে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, গোহত্যার গুজবের জেরেই ওই মারধর।
তার পরে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে পুলিশ। কারণ পুলিশ বলেছিল, মোটর সাইকেল দুর্ঘটনার জেরে ওই দুই ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে।
https://twitter.com/imMAK02/status/1010217693885038592
ছবিতে আরও দেখা যাচ্ছে, পুলিশের সামনেই গুরুতর আহত কাশিমকে মাটিতে টেনে হিঁচড়ে আনা হচ্ছে।
ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পরে পুলিশ ইতিমধ্যে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে। তাদের ব্যাখ্যা, ওই পুলিশকর্মী তাড়াহুড়োর মাথায় কাজ করছিলেন। আহত ব্যক্তিকে যে করে হোক দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল।
তার পরেও বিতর্ক থামছে না। গত শুক্রবার কাসিম ও সামিউদ্দিনের পরিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে। সেখানে সামিউদ্দিনের ভাই মেহরুদ্দিন বলেন, আমি হাসপাতালে দেখেছি, ভাইয়ের ডান হাতের বুড়ো আঙুলে কালির দাগ। সে আমাকে বলেছে, পুলিশ কাগজে কিছু একটা লিখে আমার টিপ সই নিয়েছে।
এই বিতর্কের জেরে শেষ পর্যন্ত মুখ খুলেছেন উত্তরপ্রদেশের ডিজি। তিনি বলেছেন, কাসিমের ভাই অভিযোগ করেছিল, মোটর সাইকেল দুর্ঘটনার পরে মারপিট হয়েছে। ওই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। কাসিমের পরিবার নতুন করে অভিযোগ করুক। আমরা তাও এফআইআরে লিখে নেব।