
শেষ আপডেট: 28 October 2018 19:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সে সিনেমা যেন মাইলফলক গেঁথে দিয়েছিল প্রেমের ইতিহাসে। যে মাইলফলকে লেখা প্রেম আর বিচ্ছেদের রোমাঞ্চকর কাহিনি। কাহিনির আধার এক বিশাল বিলাসবহুল জাহাজ। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, টাইটানিক। জ্যাক আর রোজ়ের সেই অবিস্মরণী প্রেম নিয়ে যার সলিলসমাধি ঘটেছিল সিনেমার পর্দায়।
সিনেমা নির্মিত হয়েছিল বাস্তবের ঘটনার উপর ভিত্তি করেই। বাস্তবের সেই টাইটানিকের খোঁজ পরে মিলেছিল, আটলান্টিকের অতলে। ধ্বংসস্তূপ আগলে পড়ে ছিল কাঠামো। এ গল্পও জানেন সকলে। সিনেমা আর বাস্তব মিলিয়ে, মানুষের মনে যেন এক কাল্পনিক ছবি ধরা পড়ে গিয়েছে টাইটানিকের। কল্পনা এবার সত্যি হবে। কল্পনার ছবির সঙ্গে বাস্তবকে মিলিয়ে দেখার সুযোগ আসবে অচিরেই। সূত্রের খবর, ২০২২ সালে আঠলান্টিকের বুকে ভাসবে টাইটানিক। সেই একই রকম, পর্দার মতোই, ঐতিহাসিক বিলাসবহুল প্রাসাদোপম জাহাজ। আনুষ্ঠানিক ভাবে সে ঘোষণা করেও ফেলেছে অস্ট্রেলিয়ার ব্লু স্টার লাইন নামে একটি সংস্থা। এই টাইটানিকের যাত্রা শুরু হবে নিউ ইয়র্ক থেকে। তবে কোনও একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছনো তার লক্ষ্য নয়। গোটা পৃথিবী যাতে এই টাইটানিক দেখতে পায়, তার জন্য সব মহাদেশের উপকূলেই এক বার করে ভিড়বে এই বিলাসতরী। ১৯১২ সালে সেই সলিল সমাধি হওয়া টাইটানিকের আদলেই তৈরি করা হবে একে। ২,৪৩৫ জন যাত্রী বহন ক্ষমতার এই জাহাজে থাকবে তিনটি শ্রেণির কেবিন। থাকবে ৮৩৫টি কেবিন। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ইঞ্জিন আর র্যাডারও থাকবে তাতে। বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের মানুষই টিকিট কাটতে পারেন এই জাহাজের। তবে এই টাইটানিকে জ্যাক আর রোজ়ের দেখা হবে কি না সেটা এখনও রহস্যই।